কিশানগঞ্জের
শিশিরমাখা দিনগুলি, শোনো
তাপস
রায়
Image Courtesy: Google Image Gallery
দূরদূরান্তের মতো পড়ে থাকা
যাক। একদিন রেললাইন পাতা হবে এই দিকে
গা-ভর্তি গয়না নিয়ে হেঁটে
আসবে অবাক রমণী, পায়ে
যদি ব্যথা ও বেদনা
আমাদের শালুক পুকুরে ধুয়ে নিক, সিঁড়ি থাকবে
না, দাওয়ায়
মাদুর পাতা
যে কোনো বিকেল পেতে নিজেদের
চাওয়াচায়ি দেখে নিই,
অস্বস্তি হলেও
সপ্তগ্রামে যেতে চাই, সেখানে
বেনেপাড়া আছে, প্রভু
নিত্যানন্দ আছে
ঘুমিয়ে পড়ার আগে সারারাত
সরস্বতী নদীটিকে বিছানায় টানি, তার
বাজারের ব্যাগ পড়ে থাকবে
ভোরভোর, ত্রিবেণীর
দিকে শাকসব্জি সস্তা হবে
ওগো বনজঙ্গলরত বোঝাপড়া, শোনো, আমাকে মথুরা
নগরে যদি একা
শাস্ত্র-আহ্লাদিত দেখো, যদি
ঘটনাপুঞ্জের ঘাড়ে চেপে পা দোলাচ্ছি ভেবে
অসূয়াপ্রবণ হও, চুপ করে থেক
না, পকেটে
ওয়ান শর্টার রেখো, ফুটো
করে দিও
আমার অহঙ্কারগুলি, প্রেমিকতা
শীতের লেপের ভেতর পৌরাণিক
আমিকে রাখার আয়োজন করে
পৌষ-মাঘ ডাকি, এরা যত
আমাকে বুঝেছে, রেল
কলোনির এই বাঙালিটোলায়
অন্য কেউ বোঝেনি তেমন।
️