অলীক পাতার অন্যান্য সংখ্যা- পড়তে হলে ক্লিক করুন Library ট্যাব টি



। । "অলীক পাতা শারদ সংখ্যা ১৪৩১ আসছে এই মহালয়াতে। । লেখা পাঠানোর শেষ তারিখ ১৫ ই আগস্ট রাত ১২ টা ।.."বিশদে জানতে ক্লিক করুন " Notice Board ট্যাব টিতে"

Tuesday, October 20, 2020

শালুক পর্ব- কবিতা-নীলকণ্ঠ স্বান্ত্বনা দাস

 

নীলকণ্ঠ 
স্বান্ত্বনা দাস

 

পৃথিবীর ভারসাম্য 

রক্ষা করতে অনেকের সাথে 

বিধাতা গড়েছেন পাখি, 

প্রকৃতি রক্ষা পাক 

এই ছিল তাঁর কাম্য। 

গাছের পাতার ফাঁকে 

অথবা কোন ঘুলঘুলিতে 

ওরা গড়ে নেয় বাসা

ঐখানেই ওদের স্বপ্ন 

ওখানেই ওদের আশা। 

শীষ দেয় দোয়েল শ্যামা 

গান শোনায় কালো বুলবুল ।

প্রভাতী সূর্যকে

 আবাহন করে কোকিল 

তার মিষ্টি কুহুস্বরে।

বসন্তের আম্রকুঞ্জে

নাম না জানা হলুদ পাখি 

ছড়িয়ে দেয় তার ডাক 

আকাশের দিকে। 

তখন দ্বিপ্রহর 

তীব্র কর্কশ শব্দে 

ডেকে ওঠে দাঁড়কাক 

ছিন্নভিন্ন নীরবতা। 

বৌ কথাকও গাছের ডালে 

সারস দিঘীর জলে। 

ঐ যে দূরে মেঠো পথে 

শালিকের ঝাঁক 

করছে হুটোপুটি লুটোপুটি 

এখন পড়ন্ত সূর্যের আলো 

ওদের এখন ছুটি। 

মাছরাঙা উড়ন্ত গাংচিলের মতো

ছোঁ মেরে তুলছে মাছ। 

ধ্যান গম্ভীর শ্বেত শুভ্র বক 

এক পায়ে তপস্যায়ে রত। 

কিন্ত নীলকণ্ঠ 

কখনও দেখিনি তাকে 

সেতো প্রায় অবলুপ্ত,

হয়ত আছে কোথাও 

কোন বনে পাতার ফাঁকে। 

ছোট ছোট শরীরে 

বিচ্ছুরিত নানা রঙের খেলা

আমি অবাক হয়ে দেখি। 

পাখি আমার প্রিয়।

বন্ধু, 

পারতো আমাকে একটা 

নীলকণ্ঠ এনে দিও।


Download ALEEK PATA Mobile APP
DOWNLOAD ALEEK PATA ANDROID APP


| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA- Your Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Puja Issue, 2020 | October-November 2020 | শারদ সংখ্যা -১৪২৭।
| Fourth Year Third Issue |24 th Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
পড়া শেষ? পত্রিকা বন্ধ করুন


শালুক পর্ব- অনুগল্প-টুকলি বিভ্রাট - ফিরোজ আখতার

 

টুকলি বিভ্রাট

ফিরোজ আখতার



প্রতিবারের মত এবারেও শালিখপুর হাইস্কুলে মাধ্যমিক পরীক্ষার ইনভিজিলেশন ডিউটি পড়েছে মলয়ের । শালিখপুরে এই নিয়ে পরপর তিনবার ডিউটি পড়লো । স্কুলে শিক্ষক সংখ্যা কম থাকায় আশেপাশের স্কুল থেকে পরীক্ষার সময় শিক্ষক-শিক্ষিকা ধার করতে হয় স্কুলটিকে । এমনিতে রাস্তার ধারে স্কুল । আসতে কোন সমস্যাই নেই । নির্দিষ্ট সময় স্কুলে পৌঁছে গেছে সে । নিজের ডিউটির ঘরটা বুঝে নিয়েছে সেন্টার ইন-চার্জের কাছ থেকে । সেন্টার-ইন-চার্জ পরিচিত মাস্টারমশাই । মৃদু হেসে বললেন, “মলয়বাবু, ছয় নম্বর ঘরের বাঁদিকের জানলাদুটোর নীচের পাল্লাগুলো খুলবেন না” ।

জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে একবার তাকাল মলয় ।

-“বাঁদিকে যে আমবাগানটা আছে বুঝলেন না… ওখান থেকে টুকলি সাপ্লাই হবে । ওখানে অবশ্য একজন কনস্টেবল থাকার কথা…”

-“তা বেশ, তবে একা একজন কনস্টেবল কতদিকে দেখবে । আপনি কোন চিন্তা করবেন না মাস্টারমশাই । আমি সামলে নেব” ।

পরীক্ষা শুরুর আধঘন্টা আগেই মলয় পৌঁছে গেলো ঘরে । পরীক্ষার্থীরা সবাই মোটামুটি এসে গেছে । নিজের নিজের জায়গায় বসেও গেছে । সবার দিকে একঝলক দেখে নিল সে । সবাই তাকেই জরীপ করছে বলে মনে হল । এবার বাঁদিকের জানলাদুটোর দিকে চোখ গেল তার । দুটো জানলারই নীচের পাল্লাদুটো খোলা । বামদিকে একটা ছোটমত আমবাগান আছে । কিছু অংশজুড়ে আমগছের শুখনো পাতা পড়ে আছে । একটু দূরেই রাস্তা । বোঝাই যাচ্ছে, টুকলি সাপ্লাইয়ের আদর্শ পরিবেশ । জানলাদুটোর নীচের পাল্লাদুটো নিজেই বন্ধ করে দিল মলয় । জানলার পাশে বসা ছেলেদুটো যে মোটেই সন্তুষ্ট হয় নি, সেটা সে তাদের চোখমুখ দেখেই বুঝতে পারলো ।

-“তোমরা সবাই নিজের নিজের জায়গায় বসেছ তো” ?

সকলেই মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল । এর মধ্যে প্রশ্নপত্র আর খাতাও চলে এসেছে । পরীক্ষা শুরুর পনেরো মিনিট বাকি । প্রশ্নপত্র দেবার বেলও বেজে গেলো । প্রশ্নপত্রগুলি ধীরে ধীরে সকলকে দিতে শুরু করল মলয় । পাঁচমিনিট পর খাতাও দিয়ে দিলো ।

-“কেউ কথা বল না, প্রশ্নপত্র ভালো করে পড় । তারপর উত্তর দেবে” । অভ্যাসবশতঃ যান্ত্রিক গলায় বলে উঠল সে ।

এবার পালা অ্যাডমিট দেখে রোল ও নং মেলানো আর খাতায় সই করা । একে একে পরীক্ষার্থীদের খাতাগুলোতে সই করতে লাগলো সে । বেশ কয়েকজন ছেলে উশখুশ করতে শুরু করেছিল বটে মাঝে, কিন্তু কড়া ধমকে তাদের চুপ করিয়ে দিয়েছে সে ।
খাতায় সই হয়ে গেছে । পাঁচ মিনিটের জন্য চেয়ারে বসল মলয় । হঠাৎ তার কানে এলো শুকনো পাতার শব্দ । শুকনো পাতার উপর দিয়ে কেউ হাঁটছে মনে হচ্ছে । শব্দটা প্রথম জানলার দিকে এগিয়ে আসছে । তাড়াতাড়ি সিট থেকে উঠে প্রথম জানলার কাছে গিয়ে দাঁড়ালো সে । এমনভাবে দাঁড়ালো যেন বাইরে থেকে তাঁকে কেউ দেখতে না পায় । হঠাৎ বাইরে থেকে একটা হাত এগিয়ে এলো জানলার ভিতরে । সঙ্গে সঙ্গে একটা গলা হিসহিসিয়ে উঠল ।

-“হাতটা বাড়া, হাতটা বাড়া…”

বিনা বাক্যব্যয়ে হাতটা বাড়িয়ে দিল মলয় । হাতে এসে পড়ল দলা পাকানো এক টুকরো কাগজ । একবার কাগজটার দিকে আর একবার জানলার পাশে বসা ছেলেটার দিকে চাইল সে । ছেলেটার মুখ সাদা হয়ে গেছে ।

-“কাগজটা তোকে দিল” ? ছেলেটার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করলো মলয় ।

-“না স্যার, আমার না… আমি কিছু জানি না” ।

মনে মনে হাসল সে । মুখে কিছু বলল না । আবার চেয়ারে গিয়ে বসলো । কাগজটা আবার খুলল । গোটা দশেক ছোট প্রশ্নের উত্তর লেখা । ছিঁড়ে কাগজটা পাশে রাখা বিনে ফেলে দিল ।

কিছুক্ষণ পর আবার সেই শুকনো পাতার শব্দ । একই ভাবে জানলা দিয়ে ভেতরে চলে এলো একটা হাত । তবে এবার দ্বিতীয় জানলা দিয়ে । আবার সেই হিসহিসে শব্দ । ‘হাত বাড়া…’ । চোখ দিয়ে ইশারা করল সে দ্বিতীয় জানলাটার পাশে বসা ছেলেটিকে । ছেলেটি এবার নিঃশব্দে হাত বাড়িয়ে দিল । ছেলেটির হাত থেকে টুকলিগুলো নিয়ে আবার ডাস্টবিনে ফেলে দিলো সে । এরকম আরও বারদুয়েক হল । প্রতিবারই টুকলিগুলো হাতে এসে পড়লো মলয়ের । ছেলেগুলোর মুখের দিকে চেয়ে মনে যে একটু মায়া হলনা তা নয় । কিন্তু কি আর করবে সে…!

পরীক্ষা শেষ । খাতাগুলো তুলে নিয়ে দ্রুত মিলিয়ে নিল সে । তারপর, চলে গেল স্টাফরুমে । খাতাগুলো বুঝিয়ে দিল দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষককে । তারপর ধীরে ধীরে স্কুলের বাইরে রাস্তায় এসে দাঁড়াল সে । রানিং অটোগুলো ধরতে হবে । একটু দূরেই বেশ কয়েকটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে । তার মধ্যে প্রথম জানলার পাশে বসা ছেলেটিকেও দেখল সে । নিজেদের মধ্য জটলা করছে তারা । সে এসে দাড়াতেই প্রথম ছেলেটা একটা ইশারা করল ছেলেগুলোর উদ্দেশ্যে । ছেলেগুলোর মুখের চেহারা বদলে গেলো । প্রত্যেকের মুখে একটা হিংস্র ভাব ফুটে উঠল ।

পাত্তা দিল না মলয় । একটা অটো আসছে । উঠে পড়লো সে অটোটায় । পাশ দিয়ে যাবার সময় দুয়ো ধ্বনি শুনতে পেল সে ছেলেগুলোর মুখে । মুখটা ঘুরিয়ে নিল সে ।

Download ALEEK PATA Mobile APP
DOWNLOAD ALEEK PATA ANDROID APP


| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA- Your Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Puja Issue, 2020 | October-November 2020 | শারদ সংখ্যা -১৪২৭।
| Fourth Year Third Issue |24 th Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
পড়া শেষ? পত্রিকা বন্ধ করুন


শালুক পর্ব-অনুগল্প- অণুগল্প মালা তাপসকিরণ রায়

 

অণুগল্প মালা
তাপসকিরণ রায় 


মহুয়া 

মহুয়া আমার জীবন ছুঁয়ে ছিল

জাতপাত, রহন-সহনে সে যে ছিল অন্য ধারার নারী !

বস্তারের মনঝোলী আদিবাসী গ্রামে কিছুদিন ছিলাম। রিপোর্টার হয়ে নকশাল গতিবিধির রিপোর্ট দিতে হত। 

অরণ্যঘ জায়গা। লোকালয় থেকে দূরান্তে, শাল-মহুলের অরণ্যঘেরা এক আদিবাসী গ্রামের ঝোপড়ি ঘরে থাকতাম কাজের ফাঁকে ফাঁকে মহুয়াকে বারবার দেখেছি ও নিশ্চয় আমাকেও দেখেছে কুচকুচে কালোর মাঝে তেলাল শরীর, আবেদনে ভরে থাকা চকমকি চেহারা তার। 

রোজ মহুয়ার তাড়ি খেতে যেতাম। আদিবাসীদের নিজস্ব চোলাই, গলায় পড়লেই ছলাং দিয়ে উঠত শরীর ! বউ, বেটি, মরদ সবাই এসে ভিড় করত ভাটিতে। মেয়েরা আমায় দেখে হাসত সেদিন মহুয়া আমার সামনে এসে বলে ছিল, আজ তুর ঘর যাব, বাবু ! ও নেশায় মত্ত ছিল, উচ্ছল হাসছিল। 

-চল, বলে নেশামত্ত আমি ওকে আমার আস্তানায় নিয়ে আসলাম।

মহুয়া এসেই আমার ঘরের খাটিয়ায় ধপ করে শুয়ে পড়ল। 

-এই কি করছিস তুই! 

হিহি, হাহা করে খানিক হেসে আমার দিকে তাকিয়ে ও বলল, তু খুব সৌন্দর বাবু ! তুকে আমি ভালবাসি রে বাবু ! হেঁচকা টান মেরে ও আমায় ওর শরীরের ওপর টেনে নিলো

আমি তখন নেশায় বিভোর, বললাম, এই, কি হচ্ছে মহু ?

মহুয়া আমায় আদর-চুম্বনে ভরিয়ে দিতে দিতে বলে উঠেছিল, তু চলে যাবি জানি বাবু-আমি তুর মত সৌন্দর একটা বেটা মুর পেটে ধরতে চাই! 

                               

 

 

মা

সেদিন সবকিছু হারিয়ে গেল জানি মা বহুদিন হল মারা গেছে। তবু শোকে দুঃখে আজও, মা, বলে ডেকে উঠি কেন ?

আসলে আকাশে বাতাসে  অনির্বার লেগে আছে অনেক মায়ের চীৎকার। আজও বুঝি মায়ের পাহারায় ঘিরে আছি আমরা। কখনও 

মাঝরাত ভেঙে জেগে উঠে দেখি, আমার পাহারায় তবু মরা চাঁদ জেগে   আছে! আজও বুঝি আমার কপালে এসে মা টুক দিয়ে 

ঘুম পাড়িয়ে যাবে।

 

ক্ষমা

 

জীবন তো সময়ের পরিমাপ। তবু কি বিন্যাসে তোমার চাতুর্যতায় শরীরের বলিরেখা ঢাকা থাকে উদাসী হাওয়ায় তখনও তুমি বসন্ত খোঁজো। সেই নায়কের ফেলে আসা স্মৃতিটুকু তোমার অতীত ফিরিয়ে দেয়:

এখনও ফুল ভাল লাগে তোমার। একটি লাল গোলাপ হাতে দিয়ে সেও তো একদিন বলে ছিল-ভালবাসি, ভালোবাসি তোমায়-

সে দিন কঠোরতায় তাকে তুমি ফিরিয়ে দিয়ে ছিলে। আজ মনে হয়- সে ক্ষণকাল হারিয়ে যায়নি। আবার তা ফিরে আসতে পারে আর সে সময় যখন ফিরে আসবে তুমি ক্ষমা চেয়ে নেবে তার কাছে-সে ব্যর্থ নায়ক  চুমুটির কাছে।


Download ALEEK PATA Mobile APP

DOWNLOAD ALEEK PATA ANDROID APP


| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA- Your Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Puja Issue, 2020 | October-November 2020 | শারদ সংখ্যা -১৪২৭।
| Fourth Year Third Issue |24 th Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
পড়া শেষ? পত্রিকা বন্ধ করুন


শালুক পর্ব- অনুগল্প-মহালয়ার গান -সমাজ বসু

 

মহালয়ার গান
সমাজ বসু

 






পাখির শিস আর মহালয়ার মিষ্টি গানের সুরে উত্তর কলকাতার শুকিয়া স্ট্রিটের বস্তিটার ঘুম ভাঙে। সাত বছরের ছোট্ট মেয়ে মহালয়া থাকে এই বস্তিতে। তাদের ঘর ছাড়াও আরও সাতটা ঘর পাশাপাশি। এই আট ঘরের মানুষজন সবাই মিলেমিশে থাকে। পরষ্পরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে,সুখে দুঃখে সবাই সবার পাশে থাকার চেষ্টা করে। উপরন্তু, মহালয়ার গান যেন সবাইকে আত্মীয়তায় বেঁধে রাখে।

সাত ঘরের বাসিন্দারা সকলেই জানে, মহালয়ার দিন ভোরে মেয়েটার জন্ম হয়েছিল বলে দাদু তার মায়ের নাম, মহামায়ার সঙ্গে মিল রেখে নাতনির ওই নাম রেখেছিলেন। নামের মধ্যেই বেশ একটা পুজো পুজো গন্ধ আছে। তাই সে সবার চোখের মণি।

আর পাঁচটা ছোট ছেলে মেয়ের মত তার খেলাধুলোয় মন নেই। গান শুনতে সে খুব ভালবাসে। গানের গলাও খুব মিষ্টি। মহালয়ার দুঃখ, তাদের ঘরে টিভি নেই। পড়শিদের অনেকের টিভি আছে। তাদের ঘরে গিয়ে গান শোনে। শুনে শুনে গানগুলো সে শিখেও নেয়। কি আশ্চর্য ক্ষমতা। তারপর সেই গান যখন সে গাইতে শুরু করে,সবাই অবাক হয়ে তার গান শোনে।

দেখতে দেখতে মহালয়ার আগের দিন‌‌‌ এসে গেল। আজ রাত পোহালেই মহালয়া। কাল আবার মেয়েটার জন্মদিনও বটে। সাত পেরিয়ে আটে পা রাখবে। কাল সারাটা দিন মহালয়ার হৈ হুল্লোড়েই কাটবে। এইসব ভেবে তার মন চঞ্চল হয়ে ওঠে। বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করতে করতে কখন যেন সে ঘুমিয়ে পড়ে।

পরদিন কাকভোরে সবার ঘুম ভাঙতেই একি বিপর্যয়! গতকাল মাঝরাতেই এলাকার ট্রান্সফর্মার পুড়ে গেছে। ভয়ানক অন্ধকারে ডুবে আছে এলাকা। সবার চোখে দুশ্চিন্তার ছাপ। কারো ঘরেই যে রেডিও কিংবা ট্রানজিস্টর নেই। টিভিতে মহালয়ার অনুষ্ঠানও দেখা হবে না। দু চার ঘরের কিছু  কমবয়সী ছেলে ইলেকট্রিক সাপ্লাই অফিসের উদ্দেশ্যে পা বাড়াতেই, হঠাৎ তাদের কানে ভেসে এলো, মহালয়ার সেই গান- বাজল তোমার আলোর বেণু,মাতল রে ভুবন.... সবাইকে অবাক করে মহালয়ার গান ধরেছে ছোট্ট মহালয়া। একে একে সবাই ঘরের ভেতর থেকে উঠোনে নেমে এল। বেজে উঠল শঙ্খ। মহালয়ার মা, মহামায়া ধুপধুনো জ্বালিয়ে দিতেই এক মোহময়ী মায়াজাল সৃষ্টি করল। সবাই স্তম্ভিত,বিষ্মিত। মহালয়া আপন মনে গেয়ে চলেছে। আর তার সেই গানের পরশে জেগে উঠছে ভোরের সূর্য।


Download ALEEK PATA Mobile APP

DOWNLOAD ALEEK PATA ANDROID APP


| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA- Your Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Puja Issue, 2020 | October-November 2020 | শারদ সংখ্যা -১৪২৭।
| Fourth Year Third Issue |24 th Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
পড়া শেষ? পত্রিকা বন্ধ করুন


কাশ পর্ব- কবিতা- আগমনী উজ্জ্বল সামন্ত

 

আগমনী
উজ্জ্বল সামন্ত

 

আগমনীর আকাশে ডানা মেলে গাঙচিল

নীল আকাশে শরৎ মেঘেরা খোঁজে মঞ্জিল

কাশফুলের দোলায় চড়ে খাল বিল মতিঝিল 

শারদীয়ার উৎসবে আনন্দ মুহূর্তে স্বপ্ননীল

 

ভোরের ঘাসে শিশির বিন্দুর মুক্তির মিছিল

শিউলির প্রাণ ভূমির ছোঁয়ায় যখন সলিল

চরণস্পর্শ ঠাঁইয়ের আশায় পঙ্কজও সামিল

কাদামাটি অবয়ব শিল্পীর সৃষ্টি রাখে নজির 

 

মরশুমি শরতে সেজে অপরূপা পৃথিবী

রূপে রসে গন্ধে মৌসুমী যৌবনা প্রকৃতি

আসুরিক শক্তির বিরুদ্ধ পরীক্ষাতে নিয়তি 

আশায় মর্ত্যবাসী প্রার্থনায় আগমনীর স্তুতি 


Download ALEEK PATA Mobile APP
DOWNLOAD ALEEK PATA ANDROID APP


| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA- Your Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Puja Issue, 2020 | October-November 2020 | শারদ সংখ্যা -১৪২৭।
| Fourth Year Third Issue |24 th Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
পড়া শেষ? পত্রিকা বন্ধ করুন


 

Main Menu Bar



অলীকপাতার শারদ সংখ্যা ১৪২৯ প্রকাশিত, পড়তে ক্লিক করুন "Current Issue" ট্যাব টিতে , সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা

Signature Video



অলীকপাতার সংখ্যা পড়ার জন্য ক্লিক করুন 'Current Issue' Tab এ, পুরাতন সংখ্যা পড়ার জন্য 'লাইব্রেরী' ট্যাব ক্লিক করুন। লেখা পাঠান aleekpata@gmail.com এই ঠিকানায়, অকারণেও প্রশ্ন করতে পারেন responsealeekpata@gmail.com এই ঠিকানায় অথবা আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

অলীক পাতায় লেখা পাঠান