অলীক পাতার অন্যান্য সংখ্যা- পড়তে হলে ক্লিক করুন Library ট্যাব টি



। । "অলীক পাতা শারদ সংখ্যা ১৪৩১ আসছে এই মহালয়াতে। । লেখা পাঠানোর শেষ তারিখ ১৫ ই আগস্ট রাত ১২ টা ।.."বিশদে জানতে ক্লিক করুন " Notice Board ট্যাব টিতে"

Saturday, April 25, 2020

গল্প- যুগোস্লোভাকিয়া - চেকোস্লোভাকিয়া...-সম্পা দত্ত দে

যুগোস্লোভাকিয়া - চেকোস্লোভাকিয়া...আমার ঠাম্মি কিছুই বোঝেনা
সম্পা দত্ত দে
অলঙ্করণঃ মিঠুন দাস
আমার ঠাম্মি ভীষণ সহজ সরল মনের মানুষ। সব কিছু সহজেই বিশ্বাস ক'রে নেয়। আমি আর দাদা মিলে খুব মজা করি ঠাম্মির সাথে। কেউ মিষ্টি করে মিথ্যা কথা সত্যি বলে চালিয়ে দিতে পারবে। যে যা খুশি বানিয়ে বানিয়ে বললেও বলবে, ‘ওমা!তাই নাকি? তাহলে কি হ‌ইবো? দুগ্গা দুগ্গা সব য্যান ঠিক ঠাক থাকে ঠাকুর’
চিলে কান নিয়ে গেছে,কান না দেখেই চিলের পিছে পিছে ছোট বাপু। বাবা ঠাকুর দার কাছে এ নিয়ে বকুনি ও কম খায়না।
“এই তো সেদিন, তাতান আমার দাদা, বলল ও ঠাম্মি লকডাউন বোঝো ? হোম কোয়রান্টাইন , আইসোলেশন , কোভিড১৯ , কোরোনা ভাইরাস এসব বোঝো?”
-‘  বাবারে এতো শক্ত শক্ত ইনজিরি কথা আমি বুইঝ্যা কি করুম? এগুলো তোদের কলেজের পড়াশোনা'র ম‌ইধ্যে আছে বুঝি?’
আমি জানুম ক্যান? আর জাইন্যাই হ‌ইবোডা কি?’
-‘ঠাম্মি তোমাকে বোঝাই কি ক'রে বলোতো! আরে করোনা ভাইরাসের জন্য অনেক লোক সংক্রমণ হ'য়ে মারা যাচ্ছে। ঠাকুর'দাদা কে একদম ঘর থেকে বের হতে দিবানা। হাত সাবান দিয়ে বা স্যানিটাইজার দিয়ে বারবার ধুতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। বিশ্বের গভীরতম অসুখ এ অসুখ ভীষণ ছোঁয়াচে। খুব বেশি দরকার ছাড়া বাইরে বেরোনোর দরকার নেই। টিভি তে, খবরের কাগজে দেখেছো কি কতো মানুষ রোজ রোজ আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে কেউ কেউ সুস্থও হচ্ছে
-‘ও মা! হেইডা আবার ক্যামন রুগ, আমাগো তাই হ‌ইলে কি হ‌ইবো।  আর সাবান দিয়া বারবার হাত ধোওয়োনের ল্যাইগ্যা তগো ঠাকুর দাদা,কাকা কাকি বেবাকেই কয় আমি নাকি সুচিবামনি এ আবার নূতন কথা কি?’
না গো ঠাম্মি তুমি ধোও বারবার কিন্তু সবাই তো নাও ধুতে পারে তাই তো আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, লকডাউন মেনে চলতে হবে, মানুষের সঙ্গে মানুষের সংস্পর্শ কম হবে ভাইরাস সংক্রমিত কম হবে, কোনো ভয়ের কিছু নেই গো, আমাদের শুধুমাত্র একটুখানি সাবধানে থাকতে হবে- ঠাকুর দাদা কে সাবধানে রাখতে হবে, বয়স হয়েছে তো বুঝতে পারলে? ভয় পেয়োনা গো-এখন আমাদের এই ভাইরাস যুদ্ধে সবাই কে জিতবে হবে
"WE SHALL OVAR COME
WE SHALL OVAR COME
WE SHALL OVAR COME
SOME DAY
OHH DEEP IN MY HEART
I DO BELIEVE
WE SHALL OVAR COME
SOME DAY.

আমরা করব জয়
আমরা করব জয়
আমরা করব জয়
একদিন
এই বুকের গভীরে
আছে প্রত্যয়
আমরা করব জয়
একদিন।

সে যাই হোক চলো ভয় নেই আমরা একটুখানি মজা করি চলো-ঠাম্মি তুমি, আমি যা বলবো তাই উচ্চারণ করে বলো তো দেখি-
- ‘না বাপু তোদের মত কলেজে পড়সি নাকি! ইনজিরি জানি না বাপু...
 -‘ঠাম্মি বলো তো টিউশনি
-‘ক্য্য্য্যা টিবুশুনি
-‘হা হা হা এবার বলো তো ম্যাক্ লাক্সিগঞ্জ
-‘ম্যাকসালাকসাঞ্জ
-‘হয়েছে হয়েছে আর বলতে হবে না ইংরেজি শব্দ, এবার বাংলা শব্দ বলোতো গামলা আর বনা
-‘উঅআ আবার কি কঠিন হ‌ইল গালমা আর বগনু
আমি তো হেসে হেসে কুটি পাটি। তাতান কে বললাম-‘ আর বলিসনা রে থাক ঠাম্মির বলতে মনে হয় খুব কষ্ট হচ্ছে রে
-‘ও ঠাম্মি তুমি না কিছুই জানোনা। বলোতো যুগোস্লোভাকিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া
 ‘পারুম না রে পারুম না। ধুর ভাল্লাগে নাবলোনা তুমি ঠাম্মি
-‘বলতাসি দাঁড়াযুগোসলভাকি/চোকোসলভাকি হ‌ইসে নে অখন…’
-‘কিচ্ছু হয়নি গো কিচ্ছু টি হয়নি!!!!
-‘জানিস তাতান আমার ঠাম্মি কিছুই বোঝেনা রেচল আমরা ঘরে বসেই ক্যারাম খেলি । বাবা আর ঠাকুর দাদা কেও ডেকে নিয়ে আসি। আমাদের কি মজা সবাই বাড়িতেসবার এখন হোম কোয়রান্টিন

তাতান মনে মনে বলল তুই এখন ও অনেক ছোট রে অনেক কিছুই বুঝতে পারিস না।

| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Lock-down Issue,2020 | April 2020 |হাসিরাশি সংখ্যা।
।নববর্ষ ১৪২৭| Third Year Fifth Issue |22nd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |


 সূচি পত্র / Index

















রঙমশাল- রংতুলি ১- দিশা প্রধান


রংতুলি

দিশা প্রধান (দশম শ্রেনী)








| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Lock-down Issue,2020 | April 2020 |হাসিরাশি সংখ্যা।
।নববর্ষ ১৪২৭| Third Year Fifth Issue |22nd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
 সূচি পত্র / Index















গল্প-অচিন্ত্য স্যার - ফিরোজ আখতার


অচিন্ত্য স্যার
ফিরোজ আখতার
অলঙ্করণঃ  ফিরোজ আখতার

অচিন্ত্য স্যার ছিলেন আমাদের গেমটিচার । অচিন্ত্য কুমার কাডাড় । বহুল প্রচলিত নিকনেম তেমন ছিল না তাঁর । বেঁটেখাটো গাট্টাগোট্টা চেহারা । সাধারণত খেলার টিচাররা তুলনামূলকভাবে ছেলেদের বেশি কাছে থাকেন খেলার সুবাদে । উনিও তাই ছিলেন । ভালো খেলতেন । বিশেষত ফুটবলটা । মাঝেমাঝে আমাদের সঙ্গেও খেলতেন । তবে দমে পেরে উঠতেন না ।
স্যারের ব্যাপারে একটা মজার ঘটনা আমার প্রায়ই মনে পড়ে । এতদিন পরেও । আর মনে পড়লে আমি হাসি চেপে রাখতে পারি না । তখন আমরা টেনে পড়তাম । আমি বি সেকশানে পড়তাম । টেন-বি ছিল স্কুলে ঢুকে একেবারে শেষপ্রান্তে । উল্টোদিকে ছিল দোতলায় উঠার সিঁড়ি । মানে টেন-বি তে ঢোকার যে দরজা তার উল্টোদিকেই ছিল সিঁড়িটা । সেটা ছিল চতুর্থ ক্লাস । ক্লাস শেষে টিফিনের ঘন্টা পড়েছে কি পড়ে নি, তার মধ্যে হইহই করে অন্যান্য ক্লাস থেকে ছেলেরা বেরিয়ে পড়লো । সেদিন বৃষ্টির জন্য স্যার আমাদের খেলাতে নিয়ে যাননি । ঘরে বসেই গল্প করছিলেন । টিফিনের ঘন্টা পড়ার পর স্যার চেয়ার থেকে সবে উঠতে যাবেন, এমন সময় একটা বিশাল হুলুস্থুল কান্ড হয়ে গেলো । হয়েছিল কি ঘরের উল্টোদিকে দোতলায় যাবার যে সিঁড়িটা ছিল, ক্লাস নাইনের একটা বিচ্ছু ছেলে(নামটা এখন আর মনে করতে পারছি না...) সিঁড়ির বেশ কয়েক ধাপ উপর থেকে একটা লাফ মেরেছিল একেবারে কপিবুক স্টাইলে । কিন্তু মেঝে ভিজে থাকায় সে স্লিপ করলো । আর এমনভাবে স্লিপ করলো যে একেবারে স্কিড করে সোজা এসে ঢুকল আমাদের ক্লাসের মধ্যে সোজা স্যারের গায়ের উপর । তারপর দুজনে জড়াজড়ি করে একেবারে চেয়ারসমেত ভূপাতিত হল । স্যার শুধুমাত্র মুখ দিয়ে ‘আঁক’ করে কিম্ভূত একটা আওয়াজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন । ছেলেদের মধ্যে কয়েকজন তো বিকট শব্দে চেঁচিয়ে উঠল । কয়েকজন আবার পেছন থেকে হাততালি দিয়ে হো হো করে হেসে উঠল । দু-তিন জন পড়িমরি করে স্যারকে তুলতে গেল । তা বেশ কিছুক্ষণ দুজনেই শুয়ে থাকলো ক্লাসরুমের মেঝেতে । তারপর আগে গা ঝাড়া দিয়ে উঠলেন অচিন্ত্য স্যার । ততক্ষণ কিন্তু চারিপাশে ভিড় জমে গেছে । ছেলেটা কিন্তু আর ওঠে না । সে একইভাবে শুয়ে রইলো । কিন্তু স্যার পুরোটাই বুঝতে পারলেন । চোখমুখ লাল করে ছেলেটার কানটা ধরে তুললেন তাকে । চিৎকার করে কি সব বলতে লাগলেন আমরা কিছু বুঝতে পারলাম না ভালো করে আসলে স্যার এতটাই উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলেন যে তাঁর কথাটথা সব জড়িয়ে যাচ্ছিল আমরা শুধু শুনলাম, ‘মশকরা হচ্ছে আমার সাথে...আমাকে ল্যাং মেরে ফেলে দিলি কেন রে বাঁদর…?’ । একটা ছেলে স্যারের দিকে ডাস্টারটা বাড়িয়ে দিলো...। স্যার সেদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে দমাদ্দম দিতে লাগলেন ছেলেটার পিঠে । ততক্ষণে অন্যান্য স্যাররা চলে এসেছেন । অচিন্ত্য স্যার এবার একটু যেন শান্ত হলেন । বললেন ‘কান ধরে উঠবস কর কুড়িবার...’ । ছেলেটা উঠবস শুরু করে দিল । গোটা দশেক উঠবস হওয়ার পর স্যার বললেন, ‘যা, তোর কিছুই হয়নি মনে হচ্ছে । তাহলে তুই উঠবস করতে পারতিস না । আর এমন করিস না’ । পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন নির্মলেন্দু চক্রবর্তী(NC2) স্যার । তিনি ফুট কাটলেন, ‘হ্যাঁ, আর কখনো স্যারকে ল্যাং মেরে ফেলে দিস না…’ । একবার কটমট করে ওনার দিকে চাইলেন অচিন্ত্য স্যার । তারপর তিনি গটগট করে বেরিয়ে গেলেন ক্লাস থেকে । পেছন পেছন অন্যান্য স্যাররাও বেরিয়ে গেলেন ।
পরে আমাদের মধ্যে একটা ভীষণ গণ্ডগোল বাধল একটা বিষয় নিয়ে । আমাদের মধ্যে কয়েকজন বলল স্যার চেয়ার থেকে পড়ে যাবার সময় মুখ দিয়ে ‘আঁক’ করে শব্দ করেছিলেন । আবার কয়েকজন বলল- না, উনি ‘বাপ’ বলে চিৎকার করেছিলেন সেই রহস্যের সমাধান এখনও হয় নি

| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Lock-down Issue,2020 | April 2020 |হাসিরাশি সংখ্যা।
।নববর্ষ ১৪২৭| Third Year Fifth Issue |22nd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |


 সূচি পত্র / Index



















রঙমশাল- রংতুলি ২- দিশা প্রধান



রংতুলি ২

দিশা প্রধান (দশম শ্রেনী)






| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Lock-down Issue,2020 | April 2020 |হাসিরাশি সংখ্যা।
।নববর্ষ ১৪২৭| Third Year Fifth Issue |22nd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
 সূচি পত্র / Index

















গল্প-ভাষার বিভ্রাট -কৃষ্ণা সাহা


ভাষার বিভ্রাট

কৃষ্ণা সাহা

অলঙ্করণঃ ফিরোজ আখতার

ট্রেন জার্নি কোচবিহার টু চেন্নাই।কামরায় এক
 অসমীয়া দম্পতি, সাথে একজন এক্স সার্ভিস ম‍্যান গাইড।ওনারা ওনাদের
মাতৃভাষা ছাড়া অন্য কোন ভাষা বোঝেনা। সবকিছু গাইডের ভরসা। চিকিৎসার জন্য চেন্নাই  এপেলো যাচ্ছেন।এই প্রথম আসামের বাইরে পা রাখলেন। ভদ্রলোক কিডনির রুগি।ভুগে ভুগে মেজাজ খুব খিটমিটে।
যাইহোক, রাতের খাওয়া দাওয়া সেরে সকলে যে যার সিটে শুয়ে পড়লেন। ভোর হতে না হতেই বিভ্রাট।চা ওয়ালার হাঁকডাক শুরু। ভদ্রলোক যথারীতি এক কাপ চা নিয়ে বেশ আরাম করে পান করছিলেন।
কিন্তু চা-ওয়ালা খানিক পরে পরেই টাকার জন্য তাগাদা দিতে লাগলো। দক্ষিণ ভারতের ভাষায়। যিনি কিনা অসমিয়া ছাড়া কোন ভাষাই বোঝেন না।তার ওপর ইল্লু মিল্লু ভাষা। তবে এটুকু বুঝতে পেরেছে যে উনি টাকা চাইছেন বার বার। আর উনিও বার বার বলছেন... রবাছুন। টাকা পয়সা তো সব গিন্নির কাছে। গিন্নি তো নাক ডাকিয়ে ঘুমাচ্ছেন।বার বার ডেকেও কোন সাড়া নেই। ওদিকে চা-ওয়ালা পরের
স্টেশনে নামবেন বলে টাকার জন্য অস্হির হয়ে উঠেছে। ভদ্রলোক সেইসব না বুঝেই ভীষণ রেগে গিয়ে চিৎকার করে উঠলেন...ময় কি পলায় যাম নাকি ? কিয়ো ইমান তাগাদা দিয়াছো ? এক্কেবারে ডিঙি কাটি পেলাম বুজিসা ? চা-ওয়ালা তো আগা মাথা কিছুই বুঝল না। সেও চিৎকার করে তার ভাষায় বলতে লাগলো।দুজনের চিৎকারে সকলের ঘুম এক ঝটকায় ভেঙ্গে গেল। ততক্ষণে গাইড মহাশয় সমস্ত ব‍্যাপারটা বুঝে নিয়ে চাওয়ালাকে পয়সা দিয়ে বুঝিয়ে সুঝিয়ে পাঠিয়ে পরিবেশ আয়ত্বে আনলেন। তিনি কিন্তু রাগের বসে বলা কারোর বাক‍্যবাণ কারোর কাছেই প্রকাশ করলেন না। নাহলে তো কুরুক্ষেত্রের আকার ধারণ করতো ট্রেনের কামরা।
| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Lock-down Issue,2020 | April 2020 |হাসিরাশি সংখ্যা।
।নববর্ষ ১৪২৭| Third Year Fifth Issue |22nd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |


 সূচি পত্র / Index























গল্প-অথ সারমেয় কাহিনী-জ্যোতিকা পোদ্দার

অথ সারমেয় কাহিনী
জ্যোতিকা পোদ্দার

অলঙ্করণঃ মিঠুন দাস
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন সারমেয় প্রেমী। এই ছোট্ট ছোট্ট পোষ্যগুলি কে অনেকেই সন্তান তুল্য স্নেহ করেন। পোষ্যরা বাড়ির অন্য সব মেম্বারদের মতোই ট্রিট পায়। কখনো কখনো মেম্বারদের থেকেও বেশি  আহ্লাদ তারা পায়। বেশিরভাগই বিদেশি হয়। খুব মিষ্টি মিষ্টি এদের নাম হয়। এদের খাওয়া-দাওয়া চালচলন আমাদের স্বদেশীয় চারপেয়ে ওদের থেকে অনেক আলাদা হয়। এদের জন্য সবকিছু আলাদা থাকে। এদের খাবার, এদের স্নানের সাবান, এদের খেলাধুলার  অ্যাক্সেসারিজ... সবই বেশ দামি হয়। কারোর কারোর তো আবার ট্রেনার ও থাকে। সকালে মর্নিং ওয়াক, বিকেলে পার্কে হাওয়া খেতে যাওয়া... বাড়িতে কিভাবে থাকতে হবে... বাথরুম কিভাবে ইউজ করতে হবে... বাড়িতে অতিথি এলে তার সঙ্গে কি রকম বিহেভ করতে হবে... সবই ট্রেনাররা এদের শেখায়। এরাও বাধ্য ছাত্রের মত সবকিছু চটপট শিখে ফেলে। এদের মিষ্টি মিষ্টি কাণ্ডকারখানা দেখে এদের মালিক বা মালকিনরা হেসে কুটিপাটি খান। এবং গর্ব সহকারে তাদের অন্য বন্ধু-বান্ধবীদের কাছে পোষ্যটির নানা কীর্তি কাহিনীর গল্প করে যারপরনাই আনন্দ পান।
এইতো আমার বাড়ির পাশের বাড়িতেই রয়েছে একটি বিদেশি পোষ্য-তার নাম মাফিন। খুবই মিষ্টি। তবে খুব ছোট নয় বেশ মাঝারি সাইজের আহ্লাদী প্রাণী। তার জন্য সবকিছু আলাদা। বাড়ির কর্তা-গিন্নি এবং তাদের দুইটি মেয়ে মাফিনের জন্য প্রাণ পর্যন্ত দিয়ে দিতে পারে। ওরা বেশ বাড়িতে পুজো আচ্চা  করে... প্রতি পূর্ণিমাতেই নারায়ন পুজো হয়। এবং পুজো চলাকালীন বাড়ির অন্য সমস্ত মেম্বারদের সাথে মাফিনের নামেও  পুজো দেয়া হয়। আর মাফিন যখন ট্রেনারের সাথে রাস্তায় হাঁটতে বেরোয়... তখন দেখি ওর হাঁটাচলাই অন্যরকম। আমাদের পাড়ায় যে সমস্ত সারমেয় কুল সারাদিন এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ায় তাদের দিকে খুব তাচ্ছিল্যের নজরে তাকায়। ভাবটা এরকম-তোদের স্টেটাস আর আমার স্টেটাসটা.. দেখ...কেন জানিনা মাফিনকে দেখলে ই আমাদের পাড়ার সারমেয় কুল  ভয়ঙ্কর চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দেয়।
আজকাল অবশ্য আমাদের দেশী সারমেয় দেরও বেশ রমরমা।
হঠাৎ সেদিন বাজারে দেখি মিষ্টি দেখতে একটি ছোট্ট পোষ্যকে বেশ মিষ্টি একটি জামা পরিয়ে এক ভদ্রমহিলা কোলে করে নিয়ে বেরিয়েছেন। সেও কোলের মধ্যে থেকেই মুখ বের করে এদিক ওদিক চোখ গোল গোল করে দেখছে। অন্য একজন ভদ্র মহিলা চারপেয়ে টিকে আদর করতে গেলে পোষ্যটির মালকিন তাকে সাঁত  করে সরিয়ে নিল।
-না না ওকে নোংরা হাতে ছোঁবেন না।
অন্য ভদ্রমহিলা একটু থতমত খেয়ে ও সরি সরি বলে অপ্রস্তুত মুখে সরে পড়লেন।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম-এ কোন প্রজাতির ..? ভারী মিষ্টি দেখতে.. আর আপনিও খুব যত্ন করে রেখেছেন।
ভদ্রমহিলা একেবারেই গলে পড়ে হেসে বললেন-আরে না না  এ বিদেশি নয়। একেবারে আমাদের স্বদেশীয়। খুব মিষ্টি দেখতে ছিল বলে, আমি ওকে রাস্তা থেকে তুলে এনে যত্ন করে মানুষ করছি।
বাহ খুব ভালো কাজ করেছেন-বলে আমি চলে এলাম।
মনে মনে ভাবলাম এই চারপেয় কবে কিভাবে মানুষ হবে?
যাইহোক আজ যাদের নিয়ে আমার গল্প-সে আমার নিজের মাসতুতো বোনের দুই প্রিয় পোষ্য-ক্যাডবেরি এবং কিটক্যাট। আমার বোন নিজে ওদের এই নামকরণ করেছে। ওরাও একদম স্বদেশীয়।
খুব ছোটবেলা থেকেই আমার বোন রিমির সারমেয় প্রীতি ছিল দেখবার মতো। কিন্তু ভাড়া বাড়ি টি ছোট হওয়াতে কোন পোষ্য সে রাখতে পারেনি। আমার মেসো মশায়ের সারমেয়  প্রীতি ছিল। বাপ বেটি দুজনে মিলে তখন রাস্তায় সারমেয় দের খাবার খাইয়ে বেড়াতো। দুই চারটি সারমেয় একেবারে তাদের ঘরের মানুষ ছিল বলতে হবে। আমার মেসো মশায়ের ধারণা ছিল যে এই সারমেয় রা খুবই লক্ষী। এবং তার যত আয়-উন্নতি এই অবলা সারমেয়দের খাওয়ানোর জন্যই।
যাই হোক পরবর্তীতে মেসোমশাই নিজের একটা বাড়ি করলেন এবং সেই বাড়িতে ভাড়া বাড়ি ছেড়ে চলে গেলেন।
এইবার রিমি মহানন্দে দুটি মিষ্টি মিষ্টি সদ্যোজাত কুকুরছানাকে একেবারে তার পোষ্য বানিয়ে নিল। কুকুরছানা দুটির মাকে রিমি খুব খেতে দিত। হয়তো সেই কৃতজ্ঞতায় তার দুই সন্তানকে সে রিমির হাতে তুলে দিয়েছিল।
রিমি তো মহাখুশি। মেসোমশাই নিজে হাতে তাদের সোপ-শ্যাম্পু সহযোগে চান করিয়ে একেবারে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ফেললেন।
বাড়ির সুন্দর বারান্দার এক কোনে পোষ্যদের থাকার জায়গা হলো। রিমি নিজেই ওদের নামকরণ করল ক্যাডবেরি আর কিটক্যাট ।
একদিন খুব ভোর বেলায় আমার মাসিমণির হঠাৎ ফোন-‘তুই কি রকম মেয়ে রে সিমি?
আমি হকচকিয়ে গিয়ে বললাম, ‘কেন মাসিমণি কি হয়েছে?
‘আমাদের বাড়িতে দুজন নতুন অতিথি এল আর তুই তোদের দেখতে পর্যন্ত এলিনা!’
আমি তখনও এই দুই পোষ্যের ব্যাপারে বিন্দুবিসর্গ জানতাম না।
তাই আকাশ থেকে পড়ে বললাম-‘কে এসেছে? আমি জানিনা তো...’
‘ওরে রিমি যে কিটক্যাট আর ক্যাডবেরি কে এনেছে’
সে তো মাসিমণি ও ছোট বেলা থেকেই চকলেট খেতে ভালোবাসে‌।
‘আরে ধুর!  এরা হলো রিমির দুই পোষ্য’
‘ও ! আচ্ছা,আচ্ছা, হ্যাঁ রিমির তো বহুদিনের শখ ছিল’
‘তা, তুই একবার ওদের দেখতে আয়। সবাই এসে ওদের দেখে চলে গেল একমাত্র তুই-ই এলি না‌’-মাসিমনির গলায় অনুযোগের সুর।
আমি বললাম ‘না ,না ,আজকে বিকেলে আসছি’
‘ঠিক আছে শোন ওরা দই , আইসক্রিম আর কলা খেতে খুব ভালোবাসে। তবে কলাটা মর্তমান নিবি’
‘খালি হাতে আসবি না কিন্তু। তুই খালি হাতে এলে আমার কিন্তু মান সম্মান থাকবে না’
আমি ভয়ে ভয়ে বললাম, ‘আচ্ছা মাসিমণি.., তা কিটক্যাট আর ক্যাডবেরির জন্য কি ওদের নাম অনুসারে কিটক্যাট আর ক্যাডবেরি ও আনবো...’!
মাসিমনি বলল,  ‘সে তোর ইচ্ছা’
বিকালে যথারীতি জিনিসপত্র নিয়ে হাজির হলাম। রিমি আমাকে দেখে একগাল হেসে বলল ‘এসো দিদি’
‘দেখ, কিটক্যাট ক্যাডবেরি আমার দিদি এসেছে’
দেখলাম বেশ দুটি মিষ্টি মিষ্টি দেখতে নধরকান্তি পোষ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে। দু'জনকেই একই দেখতে সাদার মধ্যে হলুদ ছোপ। এই কদিনের যত্নে বেশ গোলু মোলু হয়ে উঠেছে। কে যে কিটক্যাট আর কে যে ক্যাডবেরি-অমি তো বাপু দশ জনম নিলেও বুঝতে পারব না‌।
যাইহোক হঠাৎ একদিন মাসির ফোন-‘খুব সাংঘাতিক কান্ড ঘটে গেছে সিমি...’
কি হয়েছে মাসিমনি?
‘কিটক্যাট  চুরি  হয়ে গেছে...’
‘অ্যাঁ! কে করবে কিটক্যাট কে চু্রি? ওরা তো রাস্তার...’
বলেই আমি চুপ করে গেলাম।
ওইদিকে রিমির কান্না ভেসে এলো। শুনলাম মেশো নাকি ভোররাত থেকে রাস্তায় রাস্তায় কিটক্যাট কে খুঁজে বেড়াচ্ছে।
আমাকে মাসী বললো ‘তোকে হোয়াটসঅ্যাপে কিটক্যাটের ছবি পাঠিয়ে দিচ্ছি তুই শিগগিরি চারদিকে খোঁজ কর’
হায় ভগবান! আমি এমনিতেই সরমেয় কুল থেকে ১০ হাত দূরে থাকি... আমি কি করে খুঁজে বের করবো?
যাইহোক ফটো এলে কাজের দিদিকে দেখিয়ে বললাম-‘আসতে যেতে যদি দেখতে পাও... তো আমাকে জানিও’
পরে মাসি ফোন করে বলল সারমেয় প্রেমীদের নাকি একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে। সেখানে কিটক্যাটের ছবি দিয়ে নিরুদ্দেশ ঘোষণা করা হয়েছে। চোর এইবার ধরা পড়ল বলে।
ওমা সত্যিই! রাতে খবর এলো কিটক্যাট ফিরে এসেছে। যে নিয়েছিল সে আরো বড় সারমেয় প্রেমী। কিটক্যাট নাকি কোনোক্রমে বাড়ির বাইরে বেড়িয়ে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করছিল।উনি নাকি অবলা প্রাণী কে একা রাস্তায় দেখে যত্নসহকারে বাড়ি নিয়ে গেছেন।
আমার বোন তো রেগে তাকে বলল-‘আমার বাড়ির সামনেই তো বসে ছিল আপনি একবার আমাকে বলবেন না’!
যাই হোক পরের দিন নাকি একটা ছোট্ট বাস্কেটে করে উনি কিটক্যাট কে ফেরত দিয়ে যান। রিমির তো দুদিন নাওয়া-খাওয়া ছিলনা। কিটক্যাট ফিরে আসাতে আবার একটা বড় পার্টি হল।
আমরা সবাই নিমন্ত্রিত ছিলাম।
তবে কিটক্যাটের একটু স্বভাব ছিল রাস্তায় রাস্তায় বেরিয়ে পড়া
তবে একটু বড় হয়ে যাওয়াতে রাস্তায় বেরিয়ে গেলেও পরে নিজেই বাড়ি চিনে ফিরে আসতে পারত।
এদিকে রিমির বিয়ে ঠিক হয়ে গেল। সায়ক খুব মিষ্টি ছেলে। আমাদের সাথে আলাপ হলো। রিমি তাকে কিটক্যাট আর ক্যাডবেরির গল্প করতে লাগল। সায়কের সঙ্গে আমার চোখাচোখি হতে চোখ দিয়ে ইশারায় বলল  সারমেয় তার খুব একটা পছন্দের জিনিস নয়। কিন্তু রিমির জন্যে হ্যাঁ হ্যাঁ করেই যাচ্ছে। আমি মুখ টিপে হেসে অন্যদিকে মুখ ঘোরাই।
এরপরে কিটক্যাট কে নিয়ে যে ঘটনাটা বলবো সেটা সবচেয়ে মারাত্মক-
বছরখানেক আগে হোটেলে ভাগাড়ের মাংস খাওয়ানো হচ্ছে বলে বেশ আলোড়ন উঠেছিল। আর এই ভাগাড়ের মাংসের মধ্যে কুকুরের মাংস ছিল সবচেয়ে বেশি আলোচিত। কুকুরের মাংস নিয়ে আলোচনা তখন তুঙ্গে।
এদিকে কিটক্যাট যেমন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়... একদিন তেমনি বেরিয়ে গেছে... তিন চার দিন হয়ে গেছে কিটক্যাট আর বাড়ি ফেরেনি...রিমি মেসোমশাই বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর করেও কিটক্যাট কে আর খুঁজে পাচ্ছে না।
এদিকে রাস্তায় যে কোনো সাদায় হলুদ ছোপের  সারমেয় কে দেখলেই মেসোমশাই কিটক্যাট ভেবে তার কাছে ছুটে যাচ্ছে। হঠাৎ একদিন বিকেলে একটি চারপেয় দেখে মেসো মশায়ের তাকে কিটক্যাট মনে হওয়াতে ছুটে তার কাছে গেল। সেই সারমেয়টির গলায় একটা বকলেস বাধা ছিল। যেমন থাকতো কিটক্যাটের।
ব্যস, রাস্তার উপর মেসোমশাই ওই বকলেস ধরে সারমেয় টিকে জোর করে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে লাগলেন। আর সে তো কিছুতেই যাবে না। মাথা নাড়িয়ে ঘ্যাও ঘ্যাও করে চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দিল। মেসো তাকে যত টানে সে ততো অনড়।... হঠাৎ দুপাশ থেকে একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে খপ করে মেসোমশাই  এর দুই হাত ধরে বলে-‘পেয়েছি! পেয়েছি! এই হচ্ছে সেই লোক যে রাস্তার কুকুর তুলে নিয়ে গিয়ে হোটেলে হোটেলে কুকুরের মাংস বিক্রি করে’‘পুলিশ! পুলিশ !পাকড়াও! পাকড়াও!’
মেসোমশাই পুরো হতভম্ব। উনি বললেন –‘ না! তোমরা ভুল ভাবছো ভাই। এই আমার পোষ্য। বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি’
‘কিন্তু ও তো যেতে চাইছে না। ও তো আপনাকে চিনতে পারছে না... মিথ্যা কথা বলার জায়গা পান না?’
ওদের চিৎকার-চেঁচামেচিতে বেশ কিছু লোক জড়ো হয়ে গেল। সবাই মজা দেখতে লাগল
মেসোমশাই পরলেন ফাঁপরে
শেষে বুদ্ধি করে রিমি আর সায়ককে ফোন করলেন।
রিমি আর সায়ক এসে ওই কুকুরকে দেখে বলে না এত কিটক্যাট নয়।
তারপর ভুল-বোঝাবুঝির অবসান হয়।
ছেলে মেয়ে দুটি বলে আমরা বাসে করে যাচ্ছিলাম।ও নাকে ওইভাবে কুকুরটিকে টানতে দেখে আমরা ভাবি যে উনি বোধহয় কুকুরের মাংস বিক্রি করেন তাই আমরা বাস থেকে ঝপাং করে নেমে ওনাকে পাকড়াও করেছি।
কাকু বললেন, ‘সরি! সরি!... আসলে আমরাও কুকুর খুব ভালোবাসি’
যাই হোক সে যাত্রায় সবকিছু ভালই ভালই মিটলো।
কিন্তু কিটক্যাটের খবর নেই।
হঠাৎ একদিন ভোরবেলা মাসির ফোন।
সিমি রে আজ বড় আনন্দের দিন‌। আমার কিটক্যাট ঘরে ফিরে এসেছে। তোর মেসো আনন্দে তাকে সোপ শ্যাম্পু করিয়ে একেবারে ভদ্রলোক করে তুলেছে। আজ বিকালে আসিস আমাদের বাড়ি। যেন মনে হলো __কিটক্যাট বনবাস কাল কাটিয়ে ঘরে ফিরল ‌‌।
এখনো কিটক্যাট আর ক্যাডবেরি বহাল তবিয়তে আমার মাসির বাড়িতে আছে। রিমির বিয়ের সময় সায়ক দের বাড়ি থেকে তত্ত্বে কিটক্যাট এবং ক্যাডবেরির জন্য আলাদা তত্ত্বের ট্রে এসেছিল। এবং তাতে কিটক্যাট এবং ক্যাডবেরির ব্যবহার্য খুব দামী দামী জিনিস ছিল এবং সঙ্গে ছিল ক্যালসিয়াম দেওয়া দুটি হাড্ডি _খেলনা হিসাবে। কিটক্যাট এবং ক্যাডবেরি ও বিয়ের প্রতিটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিল। এখন সায়কের সাথে ও তাদের বেশ ভালো ভাব হয়ে গেছে।
আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধবরা সবাই ধন্য ধন্য করেছিল।
(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)


| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Lock-down Issue,2020 | April 2020 |হাসিরাশি সংখ্যা।
।নববর্ষ ১৪২৭| Third Year Fifth Issue |22nd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |


 সূচি পত্র / Index


























Main Menu Bar



অলীকপাতার শারদ সংখ্যা ১৪২৯ প্রকাশিত, পড়তে ক্লিক করুন "Current Issue" ট্যাব টিতে , সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা

Signature Video



অলীকপাতার সংখ্যা পড়ার জন্য ক্লিক করুন 'Current Issue' Tab এ, পুরাতন সংখ্যা পড়ার জন্য 'লাইব্রেরী' ট্যাব ক্লিক করুন। লেখা পাঠান aleekpata@gmail.com এই ঠিকানায়, অকারণেও প্রশ্ন করতে পারেন responsealeekpata@gmail.com এই ঠিকানায় অথবা আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

অলীক পাতায় লেখা পাঠান