অলীক পাতার অন্যান্য সংখ্যা- পড়তে হলে ক্লিক করুন Library ট্যাব টি



। । "অলীক পাতা শারদ সংখ্যা ১৪৩১ আসছে এই মহালয়াতে। । লেখা পাঠানোর শেষ তারিখ ১৫ ই আগস্ট রাত ১২ টা ।.."বিশদে জানতে ক্লিক করুন " Notice Board ট্যাব টিতে"

Wednesday, February 19, 2020

রম্য রচনা-আমি ঠাকুরেও আছি, ইসলামেও আছি- জয়িতা দাস


আমি ঠাকুরেও আছি, ইসলামেও  আছি

জয়িতা ময়রা (দাস)

Image Courtesy: Google Image Gallery



আমার সপ্তম বর্ষীয় ক্ষুদেটি রোজ স্কুল থেকে ফিরেই "জানো মা আজ কি হয়েছে" দিয়ে যখন তার গল্পের ঝাঁপি উপুকরে, তখন আমিও মন্ত্র-মুগ্ধের মতো গোগ্রাসে সব শুনি, আর কৃতজ্ঞ চিত্তে ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করি - 'মোরে আরো আরো আরো দাও প্রাণ'
    তো সেরকমই একদিন হঠাৎ জানতে পারলাম তার এক বন্ধু তাকে পরামর্শ দিয়েছে মুসলমান সহপাঠীদের সাথে বন্ধুত্ব না করার আমারটিও দমবার পাত্র নয়, তৎক্ষণাৎ জবাব দিয়ে এসেছে যেহেতু বন্ধুত্ব না করার তেমন কোন কারণ নেই, তাই সে করবেই যদিও সে আদৌ জানে না কে মুসলিম, আর কে নয় সে শুধু জানে কারও কারও “মাদার টাং”  হিন্দী - ব্যস ঐ পর্যন্তই বুঝলাম মা হিসেবে এই ধর্মের এর ব্যাপারটা ওকে বোঝানোর দায়িত্বটা যে আমারই
    আমি ব্যক্তিগত ভাবে পুজো-আচ্চা এবং তার নিয়ম-নীতি পালন থেকে শতহস্তে দূরে থাকি মূর্তি পুজোয় নয়, আমি মানুষে বিশ্বাসী অর্থাৎ জন্মাষ্টমীতে যেমন মাংস ভাত খেয়ে, পুত্ররত্নটির সাথে নির্ভেজাল ছুটির দুপুর কাটাই,আবার যারা ঠাকুরকে ভোগ দিয়ে, বাড়ির ছানা-পোনাদের গোপাল সাজিয়ে ছবি পোস্ট করেন, সেই সব ছবিও সমান উপভোগ করি আমার নীতিই হল “লিভ অ্যান্ড লেট লিভ”, জিও অউর জিনে দো – সিম্পল
    তো এহেন আমি ঠাকুরেও আছি আবার ইসলামেও আছি - সেটাই তো স্বাভাবিক আমার কাছে ঠাকুর বলতে অবশ্যই রবি ঠাকুর, যিনি আমার প্রতিটি দুঃখে- আনন্দে আছেন, থাকেন আবার ছোটবেলায় "কাঠবেড়ালি পেয়ারা তুমি খাও" দিয়ে পরিচয় হওয়া সেই নজরুল ইসলাম কেই বা কিভাবে ছাড়ি বলুন তো !! আমি মানুষে বিশ্বাসী, তাঁর নাম-গোত্রে নয় এই কথাটাই আমার পুত্রটিকেও বোঝাই
    সত্যি বলতে কি, ওকে বনমানুষ থেকে আদিম মানুষের রূপান্তরের সেই রোমাঞ্চকর গল্প শোনাতে শোনাতে নিজেই অবাক হয়ে যাই, কোন্ বনমানুষ'টি কোন্ ধর্মের সেটা কে ঠিক করেছিল!! ভাবতে অদ্ভুত লাগে, আমরা শাহরুখ - সলমানের ভক্ত হতে পারি, আরসালান - রেহমানিয়ার বিরিয়ানী চেটেপুটে সাফ করতে পারি, তাজমহল'কে দেশের গর্ব মনে করতে পারি, অথচ অন্য ধর্মের মানুষের সাথে সহজ হতে পারি না, স্বচ্ছন্দে বন্ধুত্ব করতে পারি না ধিক আমাদের এই সব শিশুমন গুলোকেও অহেতুক জটিল আর সংকীর্ণ করে তুলি আমরা
    তবে সকলের মনে তো পরিবর্তন আনতে পারব না, অন্ততঃ নিজের সন্তানটিকে যেন শুধুমাত্র 'মানুষ' পরিচয়ে বড় করতে পারি আর প্রার্থনা করতে পারি সকলের বুদ্ধি শুভ হোক কিন্তু যাঁদের হল না বা হবে না, তাঁরা নাহয় পরের কালীপুজোয় ভক্তি সহকারে গাইবেন বা বাজাবেন - ''কালো মেয়ে'র পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন'' আর টুক করে একটু গুগল করে নেবেন যে কার সৃষ্টি করা এই রকম কিছু শ্যামা সঙ্গীত আপনার মনে এত ভক্তি ভাবের উদ্রেক ঘটায়


| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  | Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
|ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
| Winter Issue,2010 | January 2020 |
| Third Year Fourth Issue |21st Edition|

|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |

 Back To Index- সূচিপত্র

























অণুগল্প-বিকেলের বকুলস্মৃতি-সঞ্জীব সেন


বিকেলের বকুলস্মৃতি 

সঞ্জীব সেন


Image Courtesy: Google Image Gallery



    শেষ বিকেলের আলো এসে  পড়েছে ব্যালকনিতে, সুগত এসে দাঁড়িয়েছে,চারিদিকে ফ্লাট বাড়ির ভীড়,ছেলে বৌমা বেড়াতে গেছে,মালবিকা ঘরে একা ,তাই ঘরে রয়েছে,না হলে সুগত এইসময় ঘরে থাকে না,
পড়ন্ত বিকেলের আলো এখনো কিছুটা ধারন করে আছে তোমার  উতুঙ্গ ব্যলকনি,
আমি সেই খানে যেতে চাই আবার,
তোমার কুঞ্চিত ঠোঁটের স্পর্শে  মঙ্গল শঙ্খ   বেজে ওঠে যদি,”

    মালবিকা বলে ওঠে আদিখ্যেতা,এখনো আলো দেখছো,তাও আবার উতুঙ্গ ব্যলকনিতে নাও, অনেক হয়েছে চা নাও,

    সুগত মুচকি হেসে আমি কি  খারাপ কিছু বললাম,মনে আছে, মালবিকা তোমার ,তোমার সঙ্গে প্রথম পরিচয় ছাত্র রাজনীতি করার সময়, তুমি তখন গননাট্য আন্দোলনের সঙ্গে ওতপ্রোতও ভাবে জড়িত।, বেশ কিছু সফল পথ নাটিকায় মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছো, প্রথম  মঞ্চে আবির্ভাব  “শ্বেত গোলাপ” এক ত্রিকোন  প্রেমের গল্পতোমার  অবিচল অভিনয় শুধু আমার নয় , সবার নজর  কেড়েছিল,  তখনও তোমার সঙ্গে  সেভাবে আলাপ হয়নি, কিছু দিন পর জানতে পারলাম তুমি অতিনের সম্পর্কে  মাসতুতো বোন, ওর সাহায্যেই তোমার সঙ্গে আলাপ ।    সেবার    পার্টির কাজে পুরুলিয়া গেছিলাম, অতিনও  গেছিল তোমার যাওয়ার কথা ছিল না। তুমি গেছিলে পরের দিন,আদিবাসী জীবনের উপর  কিছু ডকুমেন্ট জোগাড় করতে, আর অতিনও বলল এ ব্যাপারে আমার বন্ধুটি সাহায্য করতে পারবে ।

    কিরে সুগত করবি তো আমার বোনকে সাহায্য ?
আমি লাজুক ভাবেই বলেছিলাম  ঠিক আছে করব।

    সেইদিনিই প্রথম বার কাছ থেকে দেখেছিলাম ।তখন আমার সারাক্ষণের সঙ্গী বুদ্ধদেব বসুর অনুবাদ কবিতা আর সুনীল গাঙ্গুলির কবিতা তো ছিলই আর সবচেয়ে  ভাললাগা যে বই  সাহস বাড়িয়ে তুলেছিল যুবক হিসাবে, সেই বুদ্ধদেব গুহর   “হলুদ বসন্ত "  তবুও বলতে পারিনি আমি কোনদিন ।
মালবিকা হেসে বলে আজ তোমার কি হয়েছে বলতো ?

    সুগত বুক ফুলিয়ে শ্বাস নিয়ে বলে আজ, আজ আমায় অতীতে পেয়েছে!জানো,এভাবেও ছুঁয়ে থাকা যায়,যেভাবে বৃক্ষ তার শীর্ণ পত্রের কাছে যেতে চায়।মনে আছে তোমার, লিটল ম্যাগাজিনের সেই গল্প টা তোমাকে নিয়ে লিখেছিলাম । সেখানেও নায়ক শেষ পর্যন্ত বলতে পারিনি ভালবাসি তোমায় । হয়ত, এটাই ছিল আমার ট্রাম্পকার্ড,তুমিই ডেকে বলেছিলে আচ্ছা সুগত তোমার মনে হয়  না নায়ক  আজীবন মনের ভিতর না বলা কথা বয়ে বেরাবে,আর অলক্ষে  অনুশোচনা করবে জীবন ভোর ,আচ্ছা,ওদের কে মিলিয়ে দেওয়া যায় না, এর পরের গল্পে   কিন্তু তাই করবে, আমি বলেছিলাম কিভাবে?

    তুমি হেসে বলেছিলে সত্যিই, এতদিন বুদ্ধদেব বাবুর উপন্যাসে কি পড়লে বলতো ।নাও,অনেক হয়েছে অতীত বন্দনা ।জানো তো,আমার মা বলতেন,সুতো হাতে থাকলেও ঘুড়ি কখনো সখনো ফিরে আসে না ,আর তো সময় ।
সুগত আকাশের দিকে চেয়ে থাকল ,দেখল সন্ধ্যা হয়ে গেছে অনেকক্ষণ ,বাবুই পাখির বাসার মত ফ্লাটবাড়ির সব আলোগুলো জ্বলে উঠেছে ।


| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  | Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
|ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
| Winter Issue,2010 | January 2020 |
| Third Year Fourth Issue |21st Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |


   Back To Index- সূচিপত্র


















কবিতা-শীত গন্ধ মাখা -বহ্নিশিখা ঘোষ

শীত গন্ধ মাখা

বহ্নিশিখা ঘোষ

Image Courtesy: Google Image Gallery


খুলে যাওয়া এলো খোঁপাটির মতো
ঝরে গেলে সব পাতা,
নেমে আসে শীত, ধীর পায়ে গুটি গুটি,
হেমন্তের ফসল হীন মাঠের মাঝে।

গোলাভরা স্মৃতিগুলো উপচে যায়
আবছায়া কুয়াশায় চোখের তারায়।

মেহগনী সকালে ডালিম ঐ সূর্যটা
মেলে ধরে কাঁচা সোনা রোদটা।
ওম মাখা সোহাগে শিশিরে শিশিরে খুঁজি
ফেলে আসা ছেলেবেলা,হাওয়াই মিঠাই।
টোপাকুলে চোখ বোঁজা মনকাড়া সুখটা
তেল মাখা শাসনে নাস্তানাবুদ।
কমলার কোয়া ভাঙা দুপুরের ভাঁজে ভাঁজে
আজও লুকিয়ে কাঁদে পিঠেপুলি।
ফুলতোলা বালিশে তুলোর গভীরে খুঁজি
টুপ করে খসে যাওয়া ঠাকুমার ঝুলি।

উলের গোছার মতো গোটানো বিকেল শেষে
কালো বিড়ালের মতো ঝুপ করে
নেমে এলে সন্ধ্যে ঘরে ঘরে জ্বলে যায় দীপ,
একখানা হ্যারিকেন ঘিরে ঘিরে
দুলে যায় কবিতার ছন্দ
মায়াময় বাড়িটার আনাচে কানাচে।
মা মাখা ভাত খেয়ে ঘুম এলে
লেপ জুড়ে রূপকথা গল্প স্বপ্নে মাখামাখি
জ্যোৎস্নায় ভিজে যায় ইছামতী।
হাজার জোনাক জানে,
যে পাতাটি খসে গেল আজ রাতে
তার নেই অধিকার  কোনও শীতে।

| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  | Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
|ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
| Winter Issue,2010 | January 2020 |
| Third Year Fourth Issue |21st Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |

  Back To Index- সূচিপত্র
















গল্প-নিরুদ্দেশ -তারক কুমার দাস


নিরুদ্দেশ

তারক কুমার দাস

Image Courtesy: Google Image Gallery


এক শীতের কুয়াশা ঘেরা সকাল। হাসপাতালের নার্স ফুটফুটে সুন্দর কন্যাসন্তানকে নিয়ে এল শয্যায় মায়ের পাশে দেবে বলে। কি আশ্চর্য মা তো শয্যায় নেই। এদিক ওদিক খুঁজেও কোথাও তাকে পাওয়া গেল না। পাশের শয্যার মহিলা বললেন, 'কাল রাতেও তো ওনাকে দেখলাম, কান্নাকাটি করছিলেন। সকালে আর দেখতে পাচ্ছি না। 
অনেক  খুঁজেও আর কলাবতীকে খুঁজে পাওয়া গেল না। হাসপাতালের নার্স দের কাছে আরও দুদিন কাটল সমর্পিতার। হ্যাঁ সবাই ওর নাম দিয়েছে 'সমর্পিতা 'পাশের শয্যার বধূ সদ্য মা হয়েছেন।
তাঁকে দেখতে আসেন তাঁর আত্মীয়া সীমাদেবী। সীমাদেবী নিঃসন্তান। তিনিই গ্রহণ করলেন শিশুকন্যাকে, আইন মেনে যথাযথ ভাবে। সমর্পিতা মা পেল, মা বাবার স্নেহ পেল, ঘর পেল, আশ্রয় পেল।

          এক বছর অতিক্রান্ত। সীমাদেবীর বাড়ির দরজায় কেউ একটা চিঠি ফেলে গেছে। চিঠি খুলে সীমা দেখেন লেখা আছে, 'আমি কলাবতী।হাসপাতালে যে শয্যায় আপনার আত্মীয়া থাকতেন তার পরের শয্যায় আমি ছিলাম। 
আমি আমার সন্তানকে হাসপাতালে ছেড়ে এসেছি  নিরুপায় হয়ে। দুই কন্যা সন্তানের পর আর এক কন্যাসন্তান হওয়াতে স্বামী শাশুড়ি আমাদের দু'জনকেই মেরে ফেলতে চেয়েছিল। মেয়েকে বাঁচাতে আমি বাধ্য হই ওকে ছেড়ে যেতে। অনেক খুঁজে আপনার ঠিকানা যোগাড় করেছি। আমি জানি মেয়ে ভাল আছে ।যদি একবার মেয়েকে দেখতে দেন। ' মায়ের আকুল প্রার্থনায় মন গলল না সীমাদেবীর। শুধু চিঠিটা সরিয়ে রাখলেন।

         তিন বছরে সমর্পিতা ভর্তি হল স্কুলে। বাড়িতে উৎসবের পরিবেশ, নতুন ব্যাগ, ইউনিফর্ম চকচকে টিফিনবক্স।  মা বাবা দু'জনে দাঁড়িয়ে থেকে স্কুলের গাড়িতে তুলে দেন। বাবা অফিস চলে যান সীমাদেবী অপেক্ষা করেন কখন মেয়ে ফিরবে।

            দিন যায়। সমর্পিতা কিশোরী হয়। নাচ গান ডিবেট সবেতেই সে পারদর্শিনী। ক্লাসে প্রথম স্থানটা সমর্পিতার বাঁধা। মাধ্যমিক পাস করল উচ্চ স্থানে।

তারপর থেকে পিছনে তাকাতে হয় নি। হঠাৎ সমর্পিতার বাবার অফিস বন্ধ হয় যায়। পি এচ ডি করতে  
করতে সমর্পিতা চাকরির খোঁজ করতে লাগল।

শোকে সীমা দেবী অসুস্থ হয়ে পড়লেন। শয্যা সঙ্গী হল তাঁর। যে কোনো কাজের জন্য সমর্পিতার বাবাকে বেরোতে হয়। সীমাদেবীকে দেখাশোনার লোক নেই। একদিন অবগুণ্ঠনবতী এক মহিলার আবির্ভাব বাড়িতে। দেখা হল সীমাদেবীর সাথে একান্তে। 'আমি কলাবতী 'রুগ্ন মানুষটার দিকে তাকিয়ে বললেন ,চিনতে পারছেন আমাকে?

আমি আপনার দেখাশোনা করব। সমর্পিতাকেও দেখব। আমাকে আমার শ্বশুর বাড়ি তাড়িয়ে দিয়েছে। '

        বহাল হলেন কলাবতী। সংসারের সব দায়িত্ব তার। সমর্পিতার আন্টি ছাড়া চলে না সীমাদেবীরও কলাবতী সহায়। সমর্পিতার বন্ধু সৌরভ। ওর সঙ্গেই বিয়ের কথা চলছে সমর্পিতার । একদিন সৌরভ বলে 'মা বাবা আর দেরী করতে চাইছে না, তোমার বাড়িতে যাবে দিন ঠিক করতে 'পরদিন সৌরভের মা বাবা এলেন। কথায় কথায় জানতে পারলেন সমর্পিতা পালিতা কন্যা। ওনারা বললেন 'যার মা বাবার পরিচয় নেই তার সাথে ছেলের বিয়ে দেব না। 'অনেক অনুনয় বিনয় কিছুই কাজে লাগল না।

            পরদিন কলাবতী আবার নিরুদ্দেশ হল। একটা চিঠি লিখে রেখে গেছে। 'সমর্পিতা, তোমার মায়ের নাম কলাবতী মিত্র বাবা অমল কুমার মিত্র।

ঠিকানা নীচে দিলাম। সঙ্গে রইল তোমার জন্মের সময় ভর্তির প্রমাণ পত্র আর তোমার জন্ম প্রমাণ পত্র। আসলটি তোমার সীমা মায়ের কাছে আছে। অনেক কষ্টে এর প্রতিলিপি বার করেছি। সৌরভের বাড়িতে দেখিও। আমি চললাম, আমায় খুঁজো না, আমি আর ফিরব না। '

                সমর্পিতার দু'চোখ বেয়ে জলের ধারা নামল। অস্ফুটে একবার উচ্চারণ করল 'মা '

আস্তে আস্তে উঠে চিঠিটা সন্তর্পণে আলমারির ভিতর ঢুকিয়ে রাখল। প্রস্তুত হল বেরোবার জন্য।
কলেজ যেতে হবে,অধ্যাপনা তার কাজ। আরও অনেক সৌরভ আরও অনেক সমর্পিতাকে জীবনের দিশা দেখাতে হবে।

| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  | Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
|ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
| Winter Issue,2010 | January 2020 |
| Third Year Fourth Issue |21st Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |



   Back To Index- সূচিপত্র

















Friday, February 14, 2020

কবিতা-শীত সকালের কাব্য -বেলা দে

শীত সকালের কাব্য

বেলা দে 

Image Courtesy: Google Image Gallery


শীত সকালের কাব্যে

এখন জলকুয়াশা মাখা,

মখমলি চাদরে ভালবাসা রং

ভেজা ঘাসে সরীসৃপ কামুকতা,

নরম বিছানায় এলিয়ে লাজুক লাজুক

আদর মাখছি গায়,

চুমুক চুমুক চা পেয়ালায় মাতাল গন্ধ-

- আঙুল ছুঁয়ে নামায়

শিশির ঝরা শব্দবন্ধ।

পরিযায়ী পাখায় শীত সংবাদ মেখে

হেমন্ত বিকেল নামে শীত কুড়াতে।    


 

| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  | Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
|ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
| Winter Issue,2010 | January 2020 |
| Third Year Fourth Issue |21st Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
   Back To Index- সূচিপত্র

















কবিতা-কুহক -মাম্পি ঘোষ


কুহক


মাম্পি ঘোষ

Image Courtesy: Google Image Gallery


মানুষ কত সহজে প্রতারকের পোশাক পরে নেয়

রামধনু রঙের পর্দা আড়াল করে

রক্ত মাখা একজোড়া হাত

আচ্ছা যে বিশ্বাস মাখা দুটো চোখ,

দৃষ্টি বদল করেছিল কত সহজে

তার কপালে মৃত্যু এঁকে দিতে তোমার হাত কাঁপেনা?


| Aleekpatamagazine.blogspot.in |
  | Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
|ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
| Winter Issue,2010 | January 2020 |
| Third Year Fourth Issue |21st Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
   Back To Index- সূচিপত্র



































Main Menu Bar



অলীকপাতার শারদ সংখ্যা ১৪২৯ প্রকাশিত, পড়তে ক্লিক করুন "Current Issue" ট্যাব টিতে , সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা

Signature Video



অলীকপাতার সংখ্যা পড়ার জন্য ক্লিক করুন 'Current Issue' Tab এ, পুরাতন সংখ্যা পড়ার জন্য 'লাইব্রেরী' ট্যাব ক্লিক করুন। লেখা পাঠান aleekpata@gmail.com এই ঠিকানায়, অকারণেও প্রশ্ন করতে পারেন responsealeekpata@gmail.com এই ঠিকানায় অথবা আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

অলীক পাতায় লেখা পাঠান