অলীক পাতার অন্যান্য সংখ্যা- পড়তে হলে ক্লিক করুন Library ট্যাব টি



। । "অলীক পাতা শারদ সংখ্যা ১৪৩১ আসছে এই মহালয়াতে। । লেখা পাঠানোর শেষ তারিখ ১৫ ই আগস্ট রাত ১২ টা ।.."বিশদে জানতে ক্লিক করুন " Notice Board ট্যাব টিতে"

Showing posts with label 23 rd Edition. Show all posts
Showing posts with label 23 rd Edition. Show all posts

Friday, August 28, 2020

রোমন্থন-অড়হর গাছ - ফিরোজ আখতার


অড়হর গাছ

ফিরোজ আখতার

Painting By : The Author 

ছোটবেলায় আমাদের বাড়ির পূব কোণায় একটা অড়হর গাছ ছিল । একদম ছোট থেকেই বড় হতে দেখেছিলাম গাছটাকে । একটা সময় বেশ ঝাঁকড়া পাতাওয়ালা পূর্ণবয়স্ক হয়ে উঠলো । প্রচুর ডালও হত । তবে তার মধ্যে বেশিরভাগ ডালই নিচে পড়ে নষ্ট হত । কিছু পাখিতে খেয়ে যেত ।
 আমি তখন সদ্য পথের পাঁচালি পড়েছিলাম । ক্লাস নাইনে তখন । অপু হবার এক অদম্য বাসনা মনের ভেতর বেড়ে উঠেছিল । ঠিক গাছটার মতোই । স্কুল থেকে ফিরে মুখে কিছু একটা দিয়েই চলে যেতাম গাছটার কাছে । মুহূর্তে হয়ে যেতাম একজন বীর যোদ্ধা । আর গাছটা হত আমার কল্পলোকের শত্রু । গাছটার কিছু করার ছিল না । তাই বোধহয় তাকে শত্রু হিসাবে মানিয়েছিল ভালো ।
 একটা শক্তপোক্ত বাঁশের কঞ্চি যোগাড় করেছিলাম । কঞ্চিটা হত আমার তলোয়ার । সেই তলোয়ার দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করতাম গাছটাকে । সবুজ পাতাগুলো যখন ঝরে পড়ত আমার মনে হত রক্ত ঝরে ঝরছে আমার শত্রুর । গাছটিরও কিছু করার ছিল না । মুখ বুজে আমার নিপীড়ন সহ্য করা ছাড়া । গাছটি আস্তে পাতাবিহীন হতে শুরু করে । তারপর কিছুদিন পর শুকিয়ে গিয়ে মারা যায় ।
 অপু হওয়ার শখ আমার মেটার পর অনেকবার অড়হর গাছ বসিয়েছলাম বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় । কোনবারই বাঁচেনি…



সমাপ্ত



| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Monsoon Issue,2020 | July-September 2020 |রিমঝিম সংখ্যা।
| Third Year Sixth Issue |23 rd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
 সূচি পত্র / Index



অনুগল্প-সমাজের জলছবি-জ্যোতিকা পোদ্দার


সমাজের জলছবি


জ্যোতিকা পোদ্দার

অনুগল্প ১
ভগবান না শয়তান

Image Courtesy: Google Image Gallery


হঠাৎ সকালে অরূপের ফোন।
 শর্মিলা তখন হসপিটালে যাওয়ার জন্য রেডী হচ্ছে...
আজ একটা জটিল অপারেশন আছে। মেয়েটা প্রেগনেন্ট হওয়ার পর থেকেই ভীষণ রকমভাবে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিল।
গ্রামের মেয়ে অল্পবয়সে বিয়ে হয়েছে, বিয়ের পরপরই প্রেগনেন্ট হয়ে পড়েছে, সতেরো বছর বয়স, জননাঙ্গ গুলির গঠনও ঠিকমতো হয়নি,তারমধ্যে অপুষ্টি ...
গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার দেখাচ্ছিলো। কিন্তু তার হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে তাড়াতাড়ি অন্য ডাক্তারের কাছে রেফার করে দিয়েছেন তিনি।
এখন ডক্টর শর্মিলার আন্ডারে ভর্তি সেই মেয়েটি।
খুবই ব্যস্ত শর্মিলা আজ। তার মধ্যেই অরূপের ফোন।
 ফোনটা তুলে শর্মিলা বলে,
-হ্যালো! বলো অরূপ।
-শর্মি আজ আমার পিসিদিদা এসেছে , তোমাকে দেখবে, একসাথে লাঞ্চ করবে বলল। তুমি কিন্তু চটপট হসপিটাল থেকে চলে এসো আমাদের বাড়িতে।
-অরূপ,আজকের অপারেশনটা খুব ক্রিটিক্যাল। জানিনা তাড়াতাড়ি যাওয়া সম্ভব হবে কিনা। কিন্তু আমি চেষ্টা করবো।
-শর্মি মনে রেখো আর কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের বিয়ে- এইধরনের ফ্যামিলি প্রোগ্রামগুলো অ্যাটেন্ড করতে হবে তোমাকে।
-বললাম তো আমি চেষ্টা করব।
অরূপের বাড়িতে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের আসর জমজমাট,কিন্তু শর্মিলা এখনো আসেনি-
অরূপ বারবার ফোন করছে, কিন্তু ফোন সুইচ-অফ।
এতবড় গাইনোকোলজিস্ট শর্মিলা, একটা ছোট্ট অপারেশন করতে এত সময়!
এত জটিল বড়বড় কেস সে এক নিমিষে সমাধান করেছে,
অরূপের বাবা হঠাৎ টিভিটা চালালেন,
-খবরটা শুনি যতক্ষণ শর্মিলা না আসে।
টিভি চালাতেই সবাই হতবাক-
হসপিটালে প্রসূতির মৃত্যুতে ডাক্তার এবং নার্সকে মারধোর,হসপিটাল ভাঙচুর, ড: শর্মিলার অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যু,নিউজ মিডিয়া তোলপাড়।
ডক্টর শর্মিলা বারবার বলছেন,মহিলার শারীরিক জটিলতা ছিল তিনি সেটা আগেই পেশেন্টের বাড়ির লোকদের বলেছিলেন,
তবুও অনেক চেষ্টা করে তিনি,কিন্তু মা, বাচ্চা কাউকে বাঁচাতে পারেননি।
টিভিতে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে শর্মিলার সালোয়ারের কাঁধের কাছটা টানাহেচড়ায় ছিঁড়ে গেছে-

পিসিদিদা বলে উঠলেন,
-ছিছি একি অলুক্ষুনে মেয়ে বাবা,তাকে তোরা এই বাড়ির বউ করতে  যাচ্ছিলি ?
-আহা গো,মা বাচ্চা দু'জনকেই মেরে ফেলল!
-এমন খুনি শয়তান মেয়ে ঘরের বউ! মেনে নিতে পারলেন না অরূপের মা অনিতাদেবী।
 অরূপের  সাথে বিয়ের সম্বন্ধটা ভেঙ্গে গেলো শর্মিলার।
পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং পোস্টমর্টেমের পর দেখা গেল মেয়েটির শারীরিক জটিলতা এতটাই ছিল যে কোন ভাবেই তাকে বাঁচানো যেতনা,তবুও সব দোষ হল ড:শর্মিলার।
এত কিছুর মধ্যেও শর্মিলা অবাক হলো অরূপের ব্যবহার দেখে,শর্মিলার এত বড় বিপদের সময় পাশে থাকা তো দূরের কথা-তার পরিবার যা সিদ্ধান্ত নিল তাতেই মত দিল।
দুঃখী শর্মিলা ট্রান্সফার নিয়ে শহর ছেড়ে চলে গেল উত্তরবঙ্গের এক গ্রামীণ হসপিটালে।
কেটে গেল পাঁচবছর...

হঠাৎ ডা:সেনের কেবিনে হন্তদন্ত হয়ে হাজির হয় এক মহিলা,মহিলার কথাতে বোঝা গেল  বাপের বাড়িতে  এসে তার মেয়ের খুব সংকটজনক অবস্থা,মেয়েটি সাড়ে সাতমাসের গর্ভবতী।
ভদ্রমহিলা ড: সেনের পায়ে পড়ে বললেন,
-যেভাবে পারেন আমার মেয়েকে বাঁচান।

ডা:সেনের অক্লান্ত চেষ্টায় প্রিম্যাচিউর ডেলিভারি হলো মহিলার, কিন্তু মা বাচ্চা দুজনেই প্রাণে বাঁচল।
অপারেশন থিয়েটার থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বেরোলেন ডা:সেন।

ছুটে এলেন মহিলার স্বামী এবং শ্বাশুড়ীমা,ভদ্রমহিলা কেঁদে বললেন,
-ডাক্তারবাবু আপনি মানুষ না, ভগবান! আমার বউমা আর আমার একমাত্র বংশধরকে আপনি প্রাণভিক্ষা দিয়েছেন।
মুখ থেকে মাক্সটা খুলে ফেললেন ড:সেন।
এতবছর পর আবার মুখোমুখি অনিতা দেবী অরূপ আর ড:শর্মিলা।।

সমাপ্ত



অনুগল্প ২

শৈশব চুরি

Image Courtesy: Google Image Gallery


-হ্যাঁরে মালতি আজ আসতে এত দেরি হল কেন কাজে? সঙ্গে আবার কে রে? সেনগিন্নি বলে।
-বৌদি আজ বাড়ি থেকে বেরোতে একটু দেরি হয়ে গেল,কালকে সারারাত আমার বরের কাশি সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল ,বৌদি এই হল আমার মেয়ে।
সেনগিন্নি মেয়েটাকে ভালো করে জরিপ করে বলে,
-বাহ! মালতি! তোর মেয়েটাতো বেশ, কি নাম রে তোর?
-আমার নাম কুমারী বিনীতা দাস।
-বাহ! মালতি তোর মেয়েতো বেশ চটপটে রে, হ্যাঁরে মালতি খাওয়া-পরায় মেয়েকে দিবি নাকি!
-আমার মেয়ের ঘরে আমার নাতিটা চারবছরের হয়েছ, খুব দুরন্ত হয়েছে,মেয়ে আবার চাকরি করে, তাই ছেলেটাকে চোখে-চোখে রাখার জন্য খাওয়া-পরার লোক খুঁজছিল।
-তোর মেয়েকে দেখে ঠিক লাগছে, ভালো মাইনে দেবে,আলাদা ঠিকে ঝি,রান্নার লোক আছে। ওর কাজ হবে খালি ছেলেকে ধরা, আমার মেয়ের শাশুড়ির বয়স হয়েছে তো, পারেনা।

-না গো বৌদি;  আমার বিন্তিকে কাজে লাগাব না; ও পড়াশোনা করছে, ক্লাস ফোরে পড়ে।,ক্লাস থ্রি থেকে ফোরে উঠতে ফার্স্ট হয়েছে,আমি ওকে অনেক দূর পড়াবো,ও বড় অফিসার হবে-মালতির দুচোখে স্বপ্ন।
সেনগিন্নি মুখ বেঁকিয়ে বলে,
- যেমন তোর মর্জি, তোকে বলা রইল যদি বিন্তির বয়সী কাউকে পাস তো বলিস।
রাত্রিবেলায় বিন্তির চুলে তেল লাগিয়ে দিতে দিতে মালতি বলে,
-বিন্তিরে তোকে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন, আমার মত বাড়ি বাড়ি কাজ করতে তোকে আমি দেবনা, তোকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মত মানুষ করব, জানিস তো আমরা খুব গরীব ছিলাম. ছোট ছোট চারটি ভাইবোনকে রেখে বাবা মারা গেল, মা আমাদের ভাইবোনেদের দুবেলা খাবার জোগানোর জন্য লোকের বাড়ি বাড়ি বাসন মাজার কাজ ধরল, মার একার রোজগারে সংসার চলেনা,মার সঙ্গে আমিও যেতে শুরু করলাম কাজে, তখন আমার বয়স এগারো। তারপর ১৫-১৬বছর হতে না হতেই আমার বিয়ে হয়ে গেল, তুই হলি, তোর বাবা রিক্সা চালায়, দু-চার পয়সা যা হয় মদ বিড়ি সিগারেট উড়িয়ে দেয়,কিছু বলতে গেলে অশ্রাব্য গালিগালাজ,মারধোর, সংসার চালানোর জন্য আবার ঠিকে কাজে লেগে গেলাম,মরণ পর্যন্ত এই কাজ আমাকে করে যেতেই হবে,কিন্তু তুই আমার স্বপ্নপূরণ করবি।
বিন্তি বলে,
-হ্যাঁ  মা, আমি লেখাপড়া করব।

-খক খক খক, উফ!
 আবার তোমার কাশিটা বেড়েছে, ও বিন্তি! তোর বাপের জন্য এক গ্লাস জল আন। কত করে বলি মদ বিড়ি সিগারেট খেওনা,শুনবে না কথা।
-খক..! খক ...! খক...!
-ওমা একি এ যে কাশির সাথে রক্ত উঠছে...!
-ডাক্তারবাবু কি হয়েছে ‌এর ? সারাদিন খুব কাশে কাল যা যা পরীক্ষা করতে বললেন- এই যে সব পরীক্ষার রিপোর্ট।

গম্ভীর মুখে ডাক্তারবাবু সমস্ত রিপোর্ট দেখে বললেন,
-তোমার বরের ফুসফুসে ক্যান্সার হয়েছে।
-ওমা! কি হবে ডাক্তারবাবু! এ রোগ কি আর সারবে না?
 মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ে মালতি।
ডাক্তারবাবু বলেন,
- এ হলো রাজরোগ। চিকিৎসা করতে যেমন সময় লাগবে তেমনি লাগবে টাকা! খুবই সময় সাপেক্ষ, তুমি ঠিকমত  ওষুধপত্রের জোগাড় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে পারলে চেষ্টা করে দেখতে পারি বাঁচাতে পারি কিনা! পারবে কি চিকিৎসার খরচ চালাতে? তাহলে হসপিটালে এডমিট করে নিচ্ছি।
চোখ মুছে মালতি বলে,
-পারবো ডাক্তারবাবু আপনি মানুষটারে বাঁচান..!
 সেদিন বিকেলে-
-সেনবৌদি,এই যে বিন্তি; পাঠিয়ে দাও, তোমার মেয়ের কাছে খাওয়া পরায়।
বিন্তির অজান্তেই চুরি হয়ে গেল তার শৈশব
এইভাবে প্রতিদিন কতশত শৈশব যে চুরি হয়-তার খবর রাখে কজন...!


সমাপ্ত


| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Monsoon Issue,2020 | July-September 2020 |রিমঝিম সংখ্যা।
| Third Year Sixth Issue |23 rd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
 সূচি পত্র / Index


কবিতা-নোটস অন ম্যাথামেটিকস : ত্রিভূজ-সঞ্জয় বণ্দোপাধ্যায়


নোটস অন ম্যাথামেটিকস : ত্রিভূজ

সঞ্জয়  বন্দ্যোপাধ্যায়

(কবিতাটির একটি গঠন গত সুদৃশ্য রূপ আছে, মোবাইলে পড়লে কবিতাটি ল্যান্ডস্কেপ মোডে পড়তে অনুরোধ রইল)


Image Courtesy: Google Image Gallery


ত্রিভূজ শব্দটির
শরীরে শুধু তিনটি বাহু
ও তিনটি কোণই থাকে না , বাহুগুলি
পরস্পরের সঙ্গে এমন এক গভীর সমঝোতায় থাকে
যাতে তিনটি কোণের যোগফল দুই সমকোণে নির্দিষ্ট হয় ; যেমন
বন্ধুত্ব শব্দটিরও গড়ন গণিতভাষায় ত্রিভূজেরই মতো শুধু এর মাঝখানে
একটা ধূসরবর্ণের না-বোঝা শূন্যতা লুকিয়ে রাখা থাকে...এখন ওই
অনিচ্ছাকৃত শূন্যতার ভিতর যদি আমরা আমাদের যাবতীয়
আর্গণ ওয়েল্ডিংকৃত সাধ-আহ্লাদগুলোকে ঢুকিয়ে দিতে
পারি তবে ত্রিভূজটি একটি বর্ণবিশ্লেষী প্রিজমের
রূপ নেয় যে প্রিজমটিকে অজান্তে
অনেকেই প্রেম নামে ...


সমাপ্ত



| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Monsoon Issue,2020 | July-September 2020 |রিমঝিম সংখ্যা।
| Third Year Sixth Issue |23 rd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
 সূচি পত্র / Index





কবিতা-উনুন-মৌসুমী চৌধুরী


উনুন

মৌসুমী চৌধুরী

Photography By : Sampa Dutta Dey


সন্ধে নামছে আকাশছোঁয়া বহুতলের মাথায়,
অন্ধকারকে চুর চুর করে
নিয়ন নেকলেসে সেজে উঠছে কল্লোলিনী।
নিশ্চুপ কুচকুচে কালো ময়ালের শরীরে
ঠিকরে পড়ছে বিষন্ন নাগরিক আলো।
শ্রাবণের মধুগুলগুলি বৃষ্টি গায়ে মেখে
পণ্য হয়ে উঠছে মেয়েটি,
শ্রাবণ শরীর ধুয়ে দিচ্ছে খিদে, শিষ দিচ্ছে  মেঘ-মল্লার,
ছাতায় আছড়ে পড়ছে রুদালি বৃষ্টি,
বাতিস্তম্ভের নিচে উদাস দাঁড়িয়ে আছে মেয়েটি!
বিউটি পার্লারের চাকরিটা কেড়েছে অতিমারী,
ঘরে পাঁচ পাঁচটা হাঁ-মুখ উনুন -

দূরে একটা মাতাল বাঁশি কেঁদে কেঁদে চলে,
পুড়ে যায় প্রজাপতি ডানা
-সুস্বাদু মাংসের সম্ভার!


সমাপ্ত



| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Monsoon Issue,2020 | July-September 2020 |রিমঝিম সংখ্যা।
| Third Year Sixth Issue |23 rd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
সূচি পত্র / Index

অনু কবিতা মালা-আমার অ-কবিতারা-কৃষ্ণা সাহা


আমার অ-কবিতারা

কৃষ্ণা সাহা

Image Courtesy : Google Image Gallery



বৃষ্টি এলো ঝমঝমিয়ে
ভিজছে ঘরের টুই
আমায় শুধু ডাকছে ওরে
 ডুয়ার্স রানীর ভুঁই।
               
        ******

ভিজছে পাহাড় ভিজছে বন
ভরছে নদী , আসবে প্লাবন
উথাল পাথাল মহুয়া বন
 শাল সেগুনের আমন্ত্রণ।
            
        ******

ডাকছে সবুজ হচ্ছি অবুঝ
ডুয়ার্স রানী আলতো পায়ে
ছন্দ তুলে সাজবে সবুজ
       
      ******

 সেই নেশাতেই ছুট্টে যাবো
পথের বাঁকে পথ হারাবো
 দোদুল দোলে মন ভরাবো।




সমাপ্ত


| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Monsoon Issue,2020 | July-September 2020 |রিমঝিম সংখ্যা।
| Third Year Sixth Issue |23 rd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
 সূচি পত্র / Index

কবিতা-বন্দীশ-সম্পা দত্ত দে


বন্দীশ

সম্পা দত্ত দে

Image Courtesy: Google Image Gallery

এলো মেলো মেঘেদের
 ভৈরবী-বিলাবল বন্দীশ।
কিছু উড়োমেঘ বৃষ্টি ছুঁয়ে যায়
 পাহাড়ের নীরব কথা-আলেক্ষ্য।

হাজার মুক্তো বিন্দুর সলিল-সেতার,
টুং টাং হিন্দোল তোলে জলতরঙ্গে।
শব্দবাণ চার দেয়ালের সঘন কবিতার পঙতি।
ছমছম ঝমঝম বেখেয়ালী মেঘমল্লারী খেয়াল।

মাটিতে লেগে থাকা যাপনের সংযম চিহ্ন,
টুপটাপ মাটি ছোঁয়ায় আগে-
পদ্মপাতার বুকের আদুরে স্পর্শ জল-
অভিমানে নিঃশব্দে ঝরে যায়।

স্তব্ধতা ভেঙে  গাঢ়  হয়ে যায় আলাপের  একরোখা জেদি বন্দীশ!



সমাপ্ত



| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Monsoon Issue,2020 | July-September 2020 |রিমঝিম সংখ্যা।
| Third Year Sixth Issue |23 rd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |


 সূচি পত্র / Index

কবিতা-একান্ত রোদেলা দুপুর- সম্পা দত্ত দে


একান্ত রোদেলা দুপুর

সম্পা দত্ত দে

Photography By: The Writer



আকাশ উপুড় করা দুপুরে
আস্ত রোদ বুনে চলে শহর,
স্নান ঘরে শ‍্যাম্পুর বুঁদরাশি
জলকণা জানে বিষাদ ঘুলঘুলি'র আলোছায়া পথ
জটিল জটা চুল লিভনের ভালোবাসা
ফিসফিস কানাকানি উপত্যকা জুড়ে বেলাভূমি,
অক্ষর চাষিরা শব্দ সেলাই ক'রে কবিতা গাঁথে।
ইন্ডাকশন ওভেনে তখন প্রেশারকুকার।
রাইস কুকারে জল চালের গভীরতা,

ভেন্ট ওয়েট একটানা সিটি দেয়,
কলিং বেল আওয়াজ
ভাবনার তাল কেটে ঠিক তখনই
ড্রয়িং রুম খাবার টেবিলে স্বর্গীয় সুখ নেমে আসে

সমাপ্ত



| Aleekpatamagazine.blogspot.com |
  |ALEEK PATA-The Expressive World |Online Magazine |
| Editor: Swarup Chakraborty | Publisher: Debasree Chakraborty |
| Special Monsoon Issue,2020 | July-September 2020 |রিমঝিম সংখ্যা।
| Third Year Sixth Issue |23 rd Edition|
|© All Rights Reserved By The Editor and The Publisher |
|a DISHA-The Dreamer Initiative |
 সূচি পত্র / Index



Main Menu Bar



অলীকপাতার শারদ সংখ্যা ১৪২৯ প্রকাশিত, পড়তে ক্লিক করুন "Current Issue" ট্যাব টিতে , সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা

Signature Video



অলীকপাতার সংখ্যা পড়ার জন্য ক্লিক করুন 'Current Issue' Tab এ, পুরাতন সংখ্যা পড়ার জন্য 'লাইব্রেরী' ট্যাব ক্লিক করুন। লেখা পাঠান aleekpata@gmail.com এই ঠিকানায়, অকারণেও প্রশ্ন করতে পারেন responsealeekpata@gmail.com এই ঠিকানায় অথবা আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

অলীক পাতায় লেখা পাঠান